বাংলা নিউজ > ভাগ্যলিপি > শনিবার পূর্ণিমা পড়েছে, জেনে নিন শুভক্ষণ ও নিয়ম

শনিবার পূর্ণিমা পড়েছে, জেনে নিন শুভক্ষণ ও নিয়ম

চৈত্র পূর্ণিমায় ব্রহ্ম মুহূর্তে স্নান করে ব্রতর সংকল্প করুন।

হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী আগামী কাল চৈত্র পূর্ণিমা তিথি। ধর্মীয় গ্রন্থ অনুযায়ী এই পূর্ণিমায় লক্ষ্মীর পূজার্চনা করলে সমস্ত ভেস্তে যাওয়া কাজও সফল হয়।

হিন্দি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামিকাল (১৬) এপ্রিল চৈত্র পূর্ণিমা। আগামিকাল পালিত হবে হনুমান জয়ন্তী। তাই এই পূর্ণিমা তিথির গুরুত্বও সর্বাধিক।

পূর্ণিমার শুভক্ষণ

পূর্ণিমা তিথি শুরু- ১৬ এপ্রিল, শনিবার ভোর ২টো ২৫ মিনিটে।

পূর্ণিমা তিথি সমাপ্ত- ১৭ এপ্রিল, রবিবার ১২টা ২৪ মিনিটে।

পূর্ণিমার চন্দ্রোদয়ের সময়- ১৬ এপ্রিল, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২৭ মিনিটে। 

পূর্ণিমার গুরুত্ব

হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী আগামী কাল চৈত্র পূর্ণিমা তিথি। ধর্মীয় গ্রন্থ অনুযায়ী এই পূর্ণিমায় লক্ষ্মীর পূজার্চনা করলে সমস্ত ভেস্তে যাওয়া কাজও সফল হয়। কাজে আগত বাধা দূর হয়। পাশাপাশি যশ, ঐশ্বর্য লাভ করা যায়। শাস্ত্র মতে, এদিন সত্যনারায়ণ ব্রতকথা শুনলে বহুগুণ ফল লাভ করা যায়। পূর্ণিমায় স্নান-দানের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। 

হনুমান জয়ন্তী

চৈত্র পূর্ণিমার দিনে হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। এদিন জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সঙ্কটমোচন হনুমান। এদিন বজরংবলীর পুজো করাকে শুভ মনে করা হয়।

চৈত্র পূর্ণিমার পুজোর নিয়ম

এদিন সকালে তাড়াতাড়ি উঠে সমস্ত কাজ সম্পন্ন করে স্নান করে নিন। এর পর বিষ্ণুর স্মরণ করুন। তার পর দেবতার সামনে দাঁড়িয়ে ব্রতর সংকল্প করুন। লক্ষ্মীর সঙ্গে বিষ্ণুর পুজো করুন। এদিন কনকধারা স্তোত্র পাঠ করাও শুভ। অবশেষে আরতি করে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।

চৈত্র পূর্ণিমার দিন কী করবেন ও কী করবেন না

১. এদিন কারও সঙ্গে ঝগড়া করবেন না বা কারও নাম খারাপ করবেন না। বিশেষত এদিন প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ করতে নেই। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী এ দিন প্রতিবেশীদের সঙ্গে কোনও বিবাদ করলে তা স্থায়ী হয়ে যায়। এর ফলে ভবিষ্যতে লোকসানও হতে পারে।

২. চৈত্র পূর্ণিমায় ভুলেও তামসিক খাবার খেতে নেই। মদ্যপান করবেন না। এদিন হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। অতএব আমিষ খাবার খাবেন না।

চৈত্র পূর্ণিমায় করুন এই কাজ

১. এদিন ব্রহ্ম মুহূর্তে স্নান করে ব্রতর সংকল্প করুন। এদিন পবিত্র নদীতে স্নান করা উচিত। তা সম্ভব না-হলে পবিত্র নদীর জল মেশানো জল দিয়ে বাড়িতেই স্নান করুন।

২. নিয়ম মেনে বিষ্ণুর পুজো করুন। হনুমানের পুজো করুন। এর ফলে লাভ হবে।

৩. রাতে চন্দ্রের পুজো করা উচিত। এর ফলে লক্ষ্মী প্রসন্ন হবেন।

বন্ধ করুন