বাংলা নিউজ > ভাগ্যলিপি > Chhath Puja 2020: এক ক্লিকে জানুন ছটপুজোর তারিখ, নিয়ম, আচার
২০ তারিখ সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৪৮ মিনিটে ও সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ২৬ মিনিটে।
২০ তারিখ সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৪৮ মিনিটে ও সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ২৬ মিনিটে।

Chhath Puja 2020: এক ক্লিকে জানুন ছটপুজোর তারিখ, নিয়ম, আচার

  • এ বছর ২০ নভেম্বর ছটপুজো। ষষ্ঠী তিথির দু'দিন আগে অর্থাৎ চতুর্থী তিথি থেকে মূলত এই পুজো শুরু হয় ও সপ্তমী তিথিতে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

প্রতি বছর কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে ছট মহাপর্ব পালিত হয়। চলতি বছর ২০ নভেম্বর ছট পূজা। ষষ্ঠী তিথির দুদিন আগে অর্থাৎ চতুর্থী তিথি থেকে মূলত এই পুজো শুরু হয় ও সপ্তমী তিথিতে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। এই উৎসবে মূলত সূর্যকে অর্ঘ্য দেওয়া হয়। এখানে জানুন ছট পুজোর তিথি, অর্ঘ্য ও ব্রতভঙ্গের সময়।

প্রথম দিন, চতুর্থী তিথি নাহায়-খায় (অর্থাৎ স্নান ও খাওয়া)- কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে ছট পুজো শুরু হয়। এদিন স্নান ও খাওয়ার প্রথা প্রচলিত রয়েছে। এ বছর ১৮ নভেম্বর, বুধবার ছট পুজোর স্নান ও খাওয়া। এদিন যিনি উপবাস করবেন, তিনি পবিত্র নদী, জলাশয় অথবা নদী থেকে আনা জল দিয়ে নিজের বাড়িতে স্নান করেন। স্নানের পর পুজোর সংকল্প গ্রহণ করেন। এদিন লাউ দিয়ে ছোলার ডাল খাওয়ার প্রথা প্রচলিত আছে। ১৮ নভেম্বর সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৪৬ মিনিটে ও সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ২৬ মিনিটে।

দ্বিতীয় দিন, পঞ্চমী তিথি লোহন্ডা ও খরনা- ১৯ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার লোহন্ডা ও খরনা পালিত হবে। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এটি পালিত হয়। এদিন সকাল থেকে নির্জলা ব্রত পালন করার পর সন্ধে নাগাদ বাড়িতে পুজো করা হয়। পুজোয় পায়েস, লুচির ভোগ দেওয়া হয়। সঙ্গে থাকে কলা। এর পর যিনি উপবাস করছেন তিনি সেই ভোগ গ্রহণ করেন। ছট পুজোর প্রথম দিন থেকেই রসুন, পেঁয়াজ বর্জিত খাবার রান্না করা হয়। পঞ্চমীর দিন সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৪৭ মিনিটে ও সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ২৬ মিনিট নাগাদ।

তৃতীয় দিন, ষষ্ঠী তিথি অর্থাৎ ছট পুজোর প্রধান দিন ও অর্ঘ্য দেওয়ার সময়- কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে ছট পুজো করা হয়। এ দিন সন্ধেবেলা সূর্যকে অর্ঘ্য দেওয়া হয়। এ বছর ছট পুজো ২০ নভেম্বর। ১৯ তারিখ রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হবে, শেষ হবে ২০ তারিখ রাত ৯টা ২৯ মিনিটে। ২০ তারিখ সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ৪৮ মিনিটে ও সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ২৬ মিনিটে। এদিন বাঁশ বা পেতলের কুলোয় ঠেকুয়া, কলা, নানান মরশুমি ফল, কাঁচা হলুদ, নারকেল, বাতাবি লেবু ইত্যাদি সাজিয়ে সন্ধে নাগাদ নদী বা কোনও জলাশয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। যিনি উপবাস করেন, তিনি সেই নদী বা জলাশয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে সূর্যের উপাসনা করেন। এর পর ওই কুলোয় দুধের অর্ঘ্য দিয়ে পুজোর প্রথম দিনের নিয়ম আচার সম্পন্ন হয়। খরনার সন্ধে থেকে ফের নির্জলা ব্রত পালন শুরু হয়। ষষ্ঠীর দিনও উপবাসী নির্জলা ব্রত পালন করেন।

সপ্তমী তিথি, ঊষা অর্ঘ্য বা ছট পুজোর চতুর্থ দিনের সমাপ্তি- কার্তিক শুক্লপক্ষের সপ্তমী তিথিতে ছট পুজোর ব্রতর সমাপ্তি ঘটে। এদিন সূর্যদয়ের সময় পূর্বের রীতিতেই অর্ঘ্য দেওয়ার পর ব্রত ভঙ্গ করা হয়। ২১ নভেম্বর ছট পুজোর ব্রত ভঙ্গ। ২১ তারিখ সকাল ৬টা ৪৯ মিনিটে সূর্যোদয় হবে, সূর্যাস্ত হবে সন্ধে ৫টা ২৫ মিনিটে।

বন্ধ করুন