বাংলা নিউজ > ভাগ্যলিপি > ফেঙ্গ শুইয়ের নীল হাতি-গন্ডারে মুক্তি পাবেন চুরি-ডাকাতির হাত থেকে, জানুন কীভাবে
আকার ও স্বভাবের কারণে নীল হাতি ও গন্ডারকে ফেঙ্গ শুইতে শক্তির প্রতীক মনে করা হয়।
আকার ও স্বভাবের কারণে নীল হাতি ও গন্ডারকে ফেঙ্গ শুইতে শক্তির প্রতীক মনে করা হয়।

ফেঙ্গ শুইয়ের নীল হাতি-গন্ডারে মুক্তি পাবেন চুরি-ডাকাতির হাত থেকে, জানুন কীভাবে

  • ফেঙ্গ শুইতে এমন কয়েকটি জিনিস আছে, যা বাড়িতে রাখলে চুরি, ডাকাতি ও দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্রের পাশাপাশি চিনা বাস্তুশাস্ত্র অর্থাৎ ফেঙ্গ শুইও ভারতে বহুল প্রচলিত। সুখ-সমৃদ্ধির জন্য অনেকেই বাড়িতে বা অফিসে ফেঙ্গ শুই মেনে নানান জিনিস রেখে থাকেন। ফেঙ্গ শুইতে এমন কয়েকটি জিনিস আছে, যা বাড়িতে রাখলে চুরি, ডাকাতি ও দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 

আকার ও স্বভাবের কারণে নীল হাতি ও গন্ডারকে ফেঙ্গ শুইতে শক্তির প্রতীক মনে করা হয়। বাড়ির প্রবেশদ্বারে এগুলি রাখলে নিরাপত্তা লাভ সম্ভব। বাড়ি ও অফিসে হাতি ও গন্ডারের মূর্তি রাখলে একাধিক লাভ পাওয়া যেতে পারে। 

  • নীল হাতি ও গন্ডারের শোপিস প্রবেশদ্বারের ওপরে বাইরের দিকে মুখ করে রাখা উচিত। এমন করলে অশুভ ও দুর্বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তির আগমন ঘটে না। এর ফলে চুরির সম্ভাবনাও থাকে না।
  • নিজের কাজের টেবিলে এই মূর্তি দুটি রাখলে চাকরিজীবীরা লাভ পেতে পারেন। এর ফলে অফিসের রাজনীতি থেকে নিস্তার পেতে পারেন। এমনকি পরিবেশও শান্ত থাকে।
  • ব্যবসাস্থলে যদি ব্যবসায়ীরা এই মূর্তি রাখেন, তা হলে লাভ মিলতে পারে। কারণ হাতি রাখলে শক্তি বৃদ্ধি হয়। এর ফলে প্রতিযোগী ও বিরোধী আপনার থেকে এগিয়ে যেতে পারবেন না ও ব্যবসায় উন্নতিও সম্ভব।
  • তবে মনে রাখবেন, হাতির শুঁড় যেন ওপরের দিকে থাকে। নীচের দিকে শুঁড় থাকলে, সেই মূর্তি রাখা উচিত নয়।

বন্ধ করুন