বাড়ি > ভাগ্যলিপি > শুধু অযোধ্যা নয়, রামনামে ধন্য এই ৫ তীর্থস্থানও
চিত্রকূটে রাম বনবাসের ১১ বছর কাটিয়েছিলেন।
চিত্রকূটে রাম বনবাসের ১১ বছর কাটিয়েছিলেন।

শুধু অযোধ্যা নয়, রামনামে ধন্য এই ৫ তীর্থস্থানও

  • তবে অযোধ্যা ছাড়া ভারতের অন্যান্য স্থানেও ধর্মীয় তীর্থস্থল রয়েছে, যা রামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। রামায়ণে এই স্থানগুলির উল্লেখ রয়েছে।

অযোধ্যা রামের জন্মভূমি। তবে অযোধ্যা ছাড়া ভারতের অন্যান্য স্থানেও বহু ধর্মীয় তীর্থস্থান রয়েছে, যা রামচন্দ্রের স্পর্শধন্য। রামায়ণে এই স্থানগুলির উল্লেখ রয়েছে। আজও এই স্থানগুলিতে রামনামের মাহাত্ম্য বিদ্যমান রয়েছে। দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত তীর্থস্থানের তাৎপর্য।

প্রয়াগ- সঙ্গমনগরী হিসেবে প্রয়াগ প্রসিদ্ধ। রামায়ণ অনুযায়ী এখানে রাম, লক্ষ্মণ ও সীতা বনবাসে যাওয়ার সময় প্রথম বিশ্রাম নেন। 

চিত্রকূট- এই স্থানে রাম বনবাসের ১১ বছর কাটিয়েছিলেন। এই স্থান বর্তমানে উত্তর প্রদেশ ও মধ্য প্রদেশের মাঝামাঝি অবস্থিত। এখানে রামের একাধিক মন্দির রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস, এখানেই রামের সঙ্গে দেখা করতে ভরত এসেছিলেন। চিত্রকূটে রাম ও সীতার পদচিহ্ন সংরক্ষিত রয়েছে।

জনকপুর- সীতার জন্মস্থান ও রামের শ্বশুড়বাড়ি জনকপুর। এটি বর্তমানে নেপালে অবস্থিত। এখানেই রাম ও সীতার বিবাহ হয়। জনকপুরে এখনও রাম-সীতার বিবাহমণ্ডপ ও বিবাহস্থল দর্শন করা যেতে পারে। জনকপুরের আশপাশের গ্রামের মানুষ, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিবাহ উপলক্ষে এখান থেকেই সিঁদূর নিয়ে যান। 

কিষ্কিন্ধ্যা- বর্তমানে এটি কর্নাটকের হাম্পি শহরের আশপাশে অবস্থিত রয়েছে বলে মনে করা হয়। এখানেই বালিকে বধ করে লক্ষ্মণের দ্বারা সুগ্রীবের অভিষেক করিয়েছিলেন রাম। এখানেই হনুমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয় রামের।

রামেশ্বরম- এটি চার ধামের মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে তামিলনাড়ুতে এই তীর্থস্থান অবস্থিত। লঙ্কা গমনের আগে এখানেই শিবের আরাধনা করেছিলেন রাম। আবার এখান থেকেই রামসেতুর নির্মাণ শুরু হয়েছিল। প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাকৃতিক সেতু ভারতে রামসেতু ও বিশ্বে ‘অ্যাডামস ব্রিজ’ নামে পরিচিত।

বন্ধ করুন