বাড়ি > ভাগ্যলিপি > পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ বয়ে আনে ১২ রকম শ্রাদ্ধানুষ্ঠান
সুখ-সৌভাগ্যের কামনার জন্য বৃদ্ধি শ্রাদ্ধ করা হয়।
সুখ-সৌভাগ্যের কামনার জন্য বৃদ্ধি শ্রাদ্ধ করা হয়।

পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ বয়ে আনে ১২ রকম শ্রাদ্ধানুষ্ঠান

  • পিতৃপক্ষের সময় রোজ জল, অন্ন, দুধ ও কুশ দিয়ে শ্রাদ্ধ করলে পিতৃপুরুষ সন্তুষ্ট হন।

হিন্দু ধর্মে পিতৃপক্ষ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। শাস্ত্র মতে পিতৃপক্ষে বিভিন্ন ধরণের শ্রাদ্ধকর্ম করা হয়। এর মধ্যে ১২ ধরণের তর্পণের বর্ণনা দেওয়া রয়েছে।

১. নিত্য শ্রাদ্ধ- পিতৃপক্ষের সময় রোজ জল, অন্ন, দুধ ও কুশ দিয়ে তর্পণ করলে পিতৃপুরুষ সন্তুষ্ট হন।

২. নৈমিত্তিক শ্রাদ্ধ- মা-বাবার মৃত্যুর দিনে এই শ্রাদ্ধ করা হয়। একে একদিষ্ট বলা হয়।

৩. কাম্য শ্রাদ্ধ- বিশেষ সিদ্ধি প্রাপ্তির জন্য এই তর্পণ করা হয়। 

৪. বৃদ্ধি শ্রাদ্ধ- সুখ-সৌভাগ্যের কামনার জন্য বৃদ্ধি শ্রাদ্ধ করা হয়।

৫. সপিণ্ডন শ্রাদ্ধ- কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর ১২ দিন পর এই শ্রাদ্ধ করা হয়। মহিলারাও এই শ্রাদ্ধ করতে পারেন। 

৬. পার্বণ শ্রাদ্ধ- পর্বের তিথিতে এই শ্রাদ্ধ করা হয়। তাই একে পার্বণ শ্রাদ্ধ বলা হয়।

৭. গোষ্ঠী শ্রাদ্ধ- পরিবারের সমস্ত সদস্য মিলে যে শ্রাদ্ধ করেন, তাকে গোষ্ঠী শ্রাদ্ধ বলা হয়। 

৮. শুদ্ধ্যার্থ শ্রাদ্ধ- পরিবারের শুদ্ধতার জন্য পিতৃপক্ষে এই শ্রাদ্ধ করা হয়। 

৯. কর্মাঙ্গ শ্রাদ্ধ- কোনও সংস্কারের সময় যে শ্রাদ্ধ করা হয়, সেটিই হল কর্মাঙ্গ শ্রাদ্ধ।

১০. তীর্থ শ্রাদ্ধ- তীর্থের সময় যে শ্রাদ্ধকর্ম করা হয়, তা হল তীর্থ শ্রাদ্ধ।

১১. যাত্রার্থ শ্রাদ্ধ- যাত্রার সাফল্যের জন্য শ্রাদ্ধ করা হলে, তাকে যাত্রার্থ শ্রাদ্ধ বলা হয়।

১২. পুষ্ট্যার্থ শ্রাদ্ধ- আর্থিক উন্নতির জন্য এই শ্রাদ্ধ করা হয়।

বন্ধ করুন