বাংলা নিউজ > ভাগ্যলিপি > Utpanna Ekadashi: উৎপন্ন একাদশী কী? কত তারিখে পালন করা হবে এটি? জেনে নিন শুভ সময় ও গুরুত্ব

Utpanna Ekadashi: উৎপন্ন একাদশী কী? কত তারিখে পালন করা হবে এটি? জেনে নিন শুভ সময় ও গুরুত্ব

উদয়তিথি অনুসারে, উৎপন্ন একাদশীর উপবাস পালিত হবে ২০ নভেম্বর।  

Utpanna Ekadashi: উৎপন্ন একাদশী কবে পড়েছে ?  জেনে নিন উৎপন্ন একাদশীর উপবাসের নিয়ম বিধি।

মার্গশীর্ষ অর্থাৎ অগ্রাণ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীতে উৎপন্ন একাদশীর উপবাস পালনের বিধান রয়েছে। সমস্ত একাদশীর মত, উৎপন্ন একাদশীও ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, যে সকল বিষ্ণু ভক্ত নিয়মিতভাবে উৎপন্ন একাদশীর উপবাস করেন, তারা প্রভুর অপার আশীর্বাদ পান।

উৎপন্ন একাদশীর উপবাস পালন করলে শ্রী হরি বিষ্ণুর সাথে ধন-সম্পদের দেবী লক্ষ্মীর বিশেষ আশীর্বাদও প্রাপ্ত হয়। এছাড়াও, সেই বাড়িতে কখনও অর্থের অভাব হয় না। পদ্মপুরাণ অনুসারে, এই উপবাস পালন করলে ধর্ম ও মোক্ষ লাভ হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক এ বছর উৎপন্ন একাদশীর উপবাস কবে রাখা হবে, এর পূজা পদ্ধতি ও গুরুত্ব কী।

উৎপন্ন একাদশীর তারিখ

হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, মার্গশীর্ষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি ১৯ নভেম্বর সকাল ১০.২৯ মিনিটে শুরু হচ্ছে পরের দিন ২০ নভেম্বর রবিবার সকাল ১০.৪১ টায় শেষ হবে। উদয়তিথি অনুসারে, উৎপন্ন একাদশীর উপবাস পালিত হবে ২০ নভেম্বর।

উৎপন্ন একাদশীর পূজার শুভ সময়

এই দিনে পূজার শুভ সময় সকাল ৮.০৭ থেকে দুপুর ১২.০৭ পর্যন্ত।

উৎপন্ন একাদশীর পারন সময়

উৎপন্ন একাদশীর উপবাসের পারন সময় ২১ নভেম্বর সকাল ০৬.৪৮ টা থেকে ০৮.৫৬ টা পর্যন্ত। 

একাদশী মাহাত্ম্য: ধার্মিক মান্যতা অনুসারে একাদশী ব্রত রাখলে সমস্ত রকম পাপ থেকে মুক্তি ঘটে,এর সাথে সাথে সমস্ত রকমের মনস্কামনা পূর্ণ হয়। মনে করা হয় একাদশী ব্রত করলে মৃত্যুর পর মোক্ষ প্রাপ্তি ঘটে।

একাদশী পূজার সামগ্রী সূচি: শ্রীবিষ্ণুর চিত্র অথবা মূর্তি, ফুল, নারকেল, সুপারি, ফল, লবঙ্গ, ধূপ, দীপ, তুলসী দল, চন্দন, মিষ্টান্ন।

একাদশী পূজা বিধি

একাদশী তিথির হিন্দুধর্মে বিশেষ মাহাত্ম্য আছে। একাদশী তিথির দিন ভগবান বিষ্ণুর বিধিবিধানের সঙ্গে পুজো করা হয়। মনে করা হয় যে এরকম করলে যেকোন রকম মনস্কামনা পূর্ণ হয়। সকালবেলায় স্নান করে শুদ্ধ বসনে দীপ জ্বালিয়ে ভগবান বিষ্ণুর গঙ্গা জল দিয়ে অভিষেক করতে হবে। ভগবান বিষ্ণুকে ফুল এবং তুলসী দল অর্পণ করতে হবে।  সম্ভব হলে এই দিন ব্রত রাখা উচিত। পূজা শেষে ভগবানের আরতি করতে হবে।

 বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে, ভগবানকে শুধু সাত্বিক জিনিসের ভোগ দেওয়া উচিত। ভগবান বিষ্ণুর ভোগে অবশ্যই তুলসী পাতা দিতে হবে। মনে করা হয় যে বিনা তুলসিতে ভগবান বিষ্ণু কোনদিনই ভোগ গ্রহণ করেন না। এইদিন ভগবান বিষ্ণুর সাথে মা লক্ষ্মীরও পুজো অবশ্যই করা উচিত এবং এই দিন যত বেশি সম্ভব ভগবানের ধ্যান করা উচিত। এই উপবাসে বিষ্ণু সহস্রনাম পাঠ করলে কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায়, এর পাশাপাশি রাত জেগে ভগবান বিষ্ণুকে স্মরণ করা উচিত।উৎপন্ন একাদশী উপবাস পালন করলে ভগবান বিষ্ণু ও মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পাওয়া যায়। এছাড়াও, এই দিনে দান করলে বহুগুণ পুণ্য হয়।

 

বন্ধ করুন