বাড়ি > ভাগ্যলিপি > বাস্তু দোষ থাকলে শুধরে নিন, না হলে পড়তে পারেন অনটনের কবলে
বাড়িতে বাস্তু দোষ থাকলে রোগ, অর্থসংকট, ক্ষতি, নেগেটিভ এনার্জি বাসা বাঁধে।
বাড়িতে বাস্তু দোষ থাকলে রোগ, অর্থসংকট, ক্ষতি, নেগেটিভ এনার্জি বাসা বাঁধে।

বাস্তু দোষ থাকলে শুধরে নিন, না হলে পড়তে পারেন অনটনের কবলে

  • বাড়ির বাস্তু ঠিক থাকলে যেমন সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে, তেমনই যদি বাস্তু দোষ থাকে, তাহলে সেই পরিবারকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বাড়ির বাস্তু ঠিক থাকলে যেমন সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে, তেমনই যদি বাস্তু দোষ থাকে, তাহলে সেই পরিবারকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। বাড়িতে বাস্তু দোষ থাকলে রোগ, অর্থসংকট, ক্ষতি, নেগেটিভ এনার্জি বাসা বাঁধে।

বাস্তু দোষ থাকলে, ব্যক্তি সবসময় আর্থিক কষ্টে ভোগে, রোগ সহজে পিছু ছাড়ে না, ঝগড়া-বিবাদ বাড়তে থাকে, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা যায়, আবার কাজও আটকে যেতে পারে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বাড়িতে বাস্তু দোষ থাকলে এই সমস্ত সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে বাড়িতে কিছু পরিবর্তন করে এর সমাধান করা যেতে পারে।

* নতুন ঘর তৈরি বা নতুন ফ্ল্যাট কেনার সময় বাস্তু দেবতার পূজা অবশ্যই করাবেন।

* বাড়ির প্রবেশদ্বারে ওম অথবা স্বস্তিকের চিহ্ন বানাতে ভুলবেন না। এই দুই চিহ্নে প্রচুর পরিমাণে মধ্যে পজিটিভ এনার্জি থাকে। তাই বাড়ির মুখ্য দরজা দিয়ে নেগেটিভ এনার্জি প্রবেশ করতে পারে না।

* আবার বাড়ির প্রবেশ দ্বারে ঘোড়ার পায়ের নাল লাগালেও নেগেটিভ এনার্জি বাধা পায়।

* বাড়িতে অবশ্যই তুলসী চারা লাগাবেন এবং সকাল-সন্ধ্যে এতে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালাবেন।

* পুজোয় শঙ্খ ব্যবহার এবং শঙ্খনাদ করলে পজিটিভ এনার্জির সঞ্চার হয়।

* পিতৃপুরুষদের ছবি দক্ষিণ দিকের দেওয়ালে টাঙানো উচিত। মন্দিরে পিতৃপুরুষদের ছবি রাখা অশুভ।

* বাড়ির ঈশান কোণ পজিটিভ এনার্জির ভান্ডার। তাই ভুলেও এখানে ভারী কোন বস্তু রাখবেন না। এই স্থান কখনও নোংরা থাকতে দেবেন না।

বাস্তুদোষ দূর করার উপায়:

* বাড়ির ব্রহ্মস্থান সব সময় দোষ মুক্ত থাকা উচিত। এর ফলে বাড়িতে সুখ-শান্তি বিরাজ করে।

* ঋণের কারণে সমস্যা জর্জরিত থাকলে জানবেন বাড়ির উত্তর-পশ্চিম দিক দোষ পূর্ণ। একে দূর করার জন্য বাস্তু নিয়ম পালন করুন।

* বাড়ির ঈশান কোণে দোষ থাকলে পরিবারের কোনও সদস্য লাগাতার অসুস্থ থাকেন।

* অন্যদিকে প্রবেশদ্বার যদি দক্ষিণ অথবা পশ্চিম দিকে খোলে তাহলে, আর্থিক অনটন লেগেই থাকে। তা ঠিক করতে পারলেই সমস্যা সমাধান হয়।

বন্ধ করুন