বাড়ি > ভাগ্যলিপি > সর্বপিতৃ অমাবস্যার দিন এই উপচার পালনে মিলবে পিতৃপুরুষের আশীর্বাদ ও সুখ-শান্তি
পিতৃপুরুষদের শান্তির জন্য গীতার সপ্তম অধ্যায়ের পাঠ করার বিধান রয়েছে।
পিতৃপুরুষদের শান্তির জন্য গীতার সপ্তম অধ্যায়ের পাঠ করার বিধান রয়েছে।

সর্বপিতৃ অমাবস্যার দিন এই উপচার পালনে মিলবে পিতৃপুরুষের আশীর্বাদ ও সুখ-শান্তি

  • শ্রাদ্ধপক্ষের শুরুতে পিতৃপুরুষরা মৃত্যুলোক থেকে মর্ত্যলোকে নিজের আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে আসেন ও অমাবস্যার দিন ফিরে যান।

চলতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর সর্বপিতৃ অমাবস্যা, এটিই পিতৃপক্ষের শেষ দিন। তাই একে পিতৃপুরুষদের বিদায়ের দিন মনে করা হয়। শাস্ত্র মতে, পিতৃপুরুষদের মৃত্যুতিথি জানা না-থাকলে, এ দিন তাঁদের উদ্দেশে তর্পণ ও শ্রাদ্ধ করা যেতে পারে। এ ছাড়া, শ্রাদ্ধের দিন ভুলে গিয়ে থাকলে, তা-ও এ দিন করা যেতে পারে।

শ্রাদ্ধপক্ষের শুরুতে পিতৃপুরুষরা মৃত্যুলোক থেকে মর্ত্যলোকে নিজের আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে আসেন ও অমাবস্যার দিন ফিরে যান। মনে করা হয়, যাঁরা শ্রদ্ধা-সহ পূর্বপুরুষদের বিদায় জানান, তাঁদের পরিবারে সুখ-শান্তির আগমন ঘটে।

সর্বপিতৃ অমাবস্যার দিন, পিতৃপুরুষদের শান্তির জন্য গীতার সপ্তম অধ্যায়ের পাঠ করার বিধান রয়েছে। এ দিন অশ্বত্থ গাছের যত্ন ও পুজো করলে পূর্বপুরুষরা প্রসন্ন হন। একটি ঘটে দুধ, জল, কালো তিল, মধু ও জব মিশিয়ে অশ্বত্থ গাছে অর্পণ করা উচিত। এতে পূর্বপুরুষরা প্রসন্ন হন।

সর্বপিতৃ অমাবস্যার দিন গরিবদের অর্থ ও অন্ন দান করা উচিত। কাপড়ও দান করা যেতে পারে। মন্দির অথবা গোরুর গোয়ালে দান করাও শুভ মনে করা হয়। অমাবস্যার দিন সন্ধেবেলা বাড়ির মন্দির ও তুলসীর কাছে প্রদীপ জ্বালানো উচিত। পাশাপাশি ঘরের প্রবেশদ্বার ও ছাদেও প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখা উচিত। এর ফলে পিতৃপুরুষদের আশীর্বাদ লাভ করা যায় এবং শুভশক্তির সঞ্চার হয়।

এই অমাবস্যার দিন সকালে তাড়াতাড়ি স্নান করে পরিচ্ছন্ন কাপড় পরে পিতৃপুরুষদের শ্রাদ্ধ করা উচিত। তর্পণের সময় জবের আটা, তিল ও চাল দিয়ে তৈরি পিণ্ড অর্পণ করা উচিত।

বন্ধ করুন