বাড়ি > ভাগ্যলিপি > শ্রাবণে শিবের অভিষেকে এই নিয়মগুলি মানলে হবে রোগমুক্তি
শ্রাবণ মাসে দইয়ের ঘোল দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করলে সুফল পাওয়া যায়।
শ্রাবণ মাসে দইয়ের ঘোল দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করলে সুফল পাওয়া যায়।

শ্রাবণে শিবের অভিষেকে এই নিয়মগুলি মানলে হবে রোগমুক্তি

  • শিবপুরাণে এমন কিছু পূজার্চনা রীতির উল্লেখ রয়েছে, যা মেনে শ্রাবণ মাসে শিবলিঙ্গের পুজো করলে রোগমুক্তি হবে। 

গ্রহ-নক্ষত্রের কারণে হোক বা অন্য কোনও কারণে, অনেকেই বিভিন্ন ধরণের রোগগ্রস্ত থাকেন। শিবপুরাণে এমন কিছু উপায় বলা হয়েছে, যা মেনে শ্রাবণ মাসে শিবলিঙ্গের পুজো করলে, গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। 

  • মাথাব্যথা, চোখ-হাড়ের সমস্যাজনিত রোগ সূর্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এই রোগ থেকে মুক্তির জন্য শ্রাবণ মাসে আকন্দ ফুল, পাতা ও বেলপাতা দিয়ে শিবলিঙ্গের পুজো করা উচিত।
  • এই মাসে শিবলিঙ্গের রুদ্রীপাঠ করার সময় কালো তিল মেশানো দুধের ধার দিয়ে রুদ্রাভিষেক করা উচিত। এর ফলে চাঁদের প্রভাবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত রোগ, যেমন সর্দি, কাশি, মানসিক সমস্যা, রক্তচাপ ইত্যাদি থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।
  • মঙ্গল দুর্বল হলে রক্তজনিত রোগের আশঙ্কা থাকে। তাই এ ধরণের রোগ থাকলে জড়ি-বুটির রস দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করলে লাভ হতে পারে।
  • বুধের দুর্বলতায় চর্মরোগ, কিডনির রোগ, শ্বাসকষ্ট-সহ ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। এই সব রোগ থেকে মুক্তির জন্য শিকড়-বাকড়ের রস দিয়ে অভিষেক করা উচিত।
  • আবার বৃহস্পতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত রোগ, যেমন মেদ বাহূল্য, অন্ত্র, লিভারের সমস্যা থাকলে শিবলিঙ্গে হলুদ মিশ্রিত দুধ অর্পণ করা উচিত।
  • শুক্র দুর্বল হলে বীর্যের ঘাটতি, শারীরিক দুর্বলতা ইত্যাদি দেখা দেয়। এর থেকে মুক্তির জন্য পঞ্চামৃত, মধু, ঘি দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করা উচিত।
  • মাংসপেশির ব্যথা, গাঁটের ব্যথা, বাত ইত্যাদি শনির প্রভাব জনিত সমস্যা। শ্রাবণ মাসে আখের রস ও দইয়ের ঘোল দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করলে সুফল পাওয়া যায়।
  • মাথাঘোরা, মানসিক সমস্যা ইত্যাদি রাহু-কেতুর খারাপ দশার জেরে হয়ে থাকে। এই সমস্ত রোগ থেকে মুক্তির জন্য শিবের প্রিয় বস্তু দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করা উচিত। পাশাপাশি মৃত সঞ্জীবনী মন্ত্র সওয়া লক্ষ বার জপ করে ভাঙ ও ধুতুরা দিয়ে শিবলিঙ্গের পুজো করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে।

বন্ধ করুন