সুগন্ধ অবসাদ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।
সুগন্ধ অবসাদ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

লকডাউনে অবসাদ কাটাতে জরুরি বাস্তুশাত্রের এই নিয়মগুলি মেনে চলা

  • অর্থব্যবস্থা, চাকরি, কেরিয়ার, ব্যক্তিগত জীবন, সবেতেই আঘাত হেনেছে এই অতিমারী। বাস্তুশাস্ত্রে এমন কিছু উপায়ের উল্লেখ আছে, যা পালন করলে অবসাদ কাটিয়ে ওঠা যেতে পারে।

করোনা সংক্রমনের জেরে চতুর্থ পর্যায়ের লকডাউনে প্রবেশ করেছে ভারত। অর্থব্যবস্থা, চাকরি, কেরিয়ার, ব্যক্তিগত জীবন সবেতেই আঘাত হেনেছে এই অতিমারী। যার ফলে সকলেই আজ অবসাদের শিকার। বাস্তুশাস্ত্রে এমন কিছু উপায়ের উল্লেখ আছে, যা পালন করলে অবসাদ কাটিয়ে ওঠা যেতে পারে। লকডাউন ৪.০ এ দাঁড়িয়ে সেই উপায়গুলি একবার প্রয়োগ করে দেখা যেতে পারে।

* বাস্তু অনুযায়ী সব সময় সঠিক দিকে মাথা রেখে ঘুমানো উচিত। বাস্তুশাস্ত্রে উত্তর ও পশ্চিম দিকে মাথা রেখে ঘুমানো শুভ মনে করা হয় না। ওই দুই দিকে মাথা রেখে ঘুমালে অবসাদ বাড়ে এবং ঘুমও ভালো হয় না। বাস্তুমতে ঘুমানোর সঠিক দিক হল দক্ষিণ ও পূর্ব। তবে বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী অবিবাহিত মেয়েদের দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে মাথা রেখে ঘুমানো উচিত নয়, কারণ এর ফলে অবসাদ বাড়ে।

* সন্ধের সময় ঘরে সুগন্ধি মোমবাতি বা ধূপকাঠি জ্বালানো উচিত। সুগন্ধ অবসাদ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। বাড়ি সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। ঘর পরিচ্ছন্ন এবং সুবাসিত হলে, পজিটিভ এনার্জির সঞ্চার হয়। যার ফলে স্ট্রেস কমে। ঘরে সকাল ও সন্ধ্যায় কর্পূর জ্বালানো বাস্তুতে শুভ মনে করা হয়।

* আবার অবসাদ মোকাবিলার জন্য বাড়ির শৌচালয়ে নুন ছেটাতে পারেন। নুন নেগেটিভ এনার্জির সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

* কড়িবর্গা বা সিলিংয়ের বিমের নিচে উইন্ড চাইম লাগানো শুভ। বাড়ির সঠিক আলো-বাতাস চলাচলের উপরে নজর রাখবেন।

* শোওয়ার ঘরে ভুলেও মদ্যপান করবেন না। এর ফলে স্ট্রেস বাড়ে, আবার গ্রহদোষও হতে পারে।

বন্ধ করুন