বাংলা নিউজ > ভাগ্যলিপি > Makar Sankranti: কেন ভীষ্ম পিতামহ মকর সংক্রান্তির দিন দেহত্যাগ করেছিলেন? জেনে নিন সেই পৌরাণিক কথা

Makar Sankranti: কেন ভীষ্ম পিতামহ মকর সংক্রান্তির দিন দেহত্যাগ করেছিলেন? জেনে নিন সেই পৌরাণিক কথা

কথিত আছে এই দিনে ভীষ্ম পিতামহ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।  

Makar Sankranti: কেন হিন্দু ধর্মে মকর সংক্রান্তি এত মহত্ব্পূর্ণ? কেন ভীষ্ম পিতামহ দেহ ত্যাগের জন্য সূর্যর উত্তরায়ণ হওযার অপেক্ষা করেছিলেন, জেনে নিন এখান থেকে।  

মকর সংক্রান্তি হিন্দু ধর্মের একটি প্রধান উৎসব। এ বছর এই উৎসব পালিত হচ্ছে ১৫ জানুয়ারি। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে এই উৎসব পালনের ঐতিহ্য রয়েছে।

মকর সংক্রান্তির দিনে গঙ্গাস্নান ও দান অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এই দিনে গঙ্গাস্নান করাকে মহাস্নান বলে গণ্য করা হয়। এছাড়াও, এই দিন থেকে খরমাস শেষ হয় এবং শুভ কাজ আবার শুরু হয়। 

এ ছাড়া মকর সংক্রান্তির বিশেষ সংযোগ রয়েছে মহাভারতের সঙ্গেও। কথিত আছে এই দিনে ভীষ্ম পিতামহ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ৫৮ দিন তীরের বিছানায় থাকা সত্ত্বেও, তিনি তার জীবন উৎসর্গ করার আগে সূর্য দেবতার উত্তরায়ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। আসুন জেনে নেই এর পেছনের কারণ কী। 

কথিত আছে ভীষ্ম পিতামহ ইচ্ছা মৃত্যুর বর পেয়েছিলেন। তাই মহাভারতের যুদ্ধে অর্জুনের তীরের আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হয়েও তিনি বেঁচে ছিলেন। আঠারো দিনের যুদ্ধের দশম দিনে ভীষ্ম পিতামহ আহত হন। তিনি মৃত্যুশয্যায় শুয়ে থাকার পর আরও আট দিন যুদ্ধ চলে। কিন্তু ভীষ্ম পিতামহ দেহ ত্যাগ করেননি, কারণ তিনি চেয়েছিলেন যে সূর্যর উত্তরায়ণ হলেই তিনি দেহ ত্যাগ করবেন। ভীষ্ম পিতামহ ৫৮ দিন মৃত্যুশয্যায় ছিলেন। এরপর সূর্যর উত্তরায়ণ হওয়ার পর তিনি দেহ ত্যাগ করেন। বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে জীবন বিসর্জন করলে মোক্ষ লাভ হয়।

শাস্ত্র অনুসারে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণও উত্তরায়ণের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছিলেন। কৃষ্ণের মতে, উত্তরায়ণে দেহ ত্যাগ করলে জীবন-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একজন সরাসরি মোক্ষ লাভ করে। এই কারণেই ভীষ্ম পিতামহ তার জীবন উৎসর্গ করার আগে সূর্যর উত্তরায়ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন