বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > সিঁদুর পরিয়েই বেপাত্তা কলেজ পড়ুয়া স্বামী, রাতভর শ্বশুরবাড়ির উঠোনে ধরনা বধূর
এভাবেই সারারাত শ্বশুরবাড়ির উঠোনে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করেন রিনা গোপ। (সংগৃহীত)
এভাবেই সারারাত শ্বশুরবাড়ির উঠোনে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করেন রিনা গোপ। (সংগৃহীত)

সিঁদুর পরিয়েই বেপাত্তা কলেজ পড়ুয়া স্বামী, রাতভর শ্বশুরবাড়ির উঠোনে ধরনা বধূর

  • নীলকমলের সঙ্গে রিনার সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি পরিবার। এদিকে সোমবার রাতে গ্রামবাসীদের সাক্ষী রেখে রিনার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিল নীলকমল। কিন্তু তারপর থেকেই তার আর কোনও খোঁজ পাচ্ছে না রিনা। অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছে নববধূ। কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারছে না।

বছর দুয়েক ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক। গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা রিনা গোপের দাবি এমনটাই। তিনি পুরুলিয়ার দড়ডি গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে নীলকমল বলে যে যুবকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সে স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা। কিন্তু সে হাওড়ার একটি কলেজে পড়ে। সেখানেই সে থাকে। এদিকে নীলকমলের সঙ্গে রিনার সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি পরিবার। এদিকে সোমবার রাতে গ্রামবাসীদের সাক্ষী রেখে রিনার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দিয়েছিল নীলকমল। কিন্তু তারপর থেকেই তার আর কোনও খোঁজ পাচ্ছে না রিনা। অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছে নববধূ। কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারছে না।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে খবর, রিনাকে ঠাকুমার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল নীলকমল। কিন্তু ঠাকুমা বাড়িতে ঢুকতে দেননি। এরপরই স্ত্রীকে ফেলে রেখে বেপাত্তা হয়ে যায় নীলকমল। আর তারপর থেকে রাতভর শ্বশুরবাড়ির সামনেই শুয়ে থাকেন তিনি। রাতভর স্বামীর জন্য ধরনায় বসেন তিনি। কিন্তু তারপরেও কেউ তাঁকে ঘরে তুলে নেননি।

রিনা বলেন, নীলকমল আমায় বিয়ে করেছে। এখানে নিয়ে আসার পর আমায় সবাই মেরেছে। আমি নীলকমলের সঙ্গে থাকতে চাই। ওরা জানি না কোথায় স্বামীকে রেখে দিয়েছে। দুবছরের সম্পর্ক। যতক্ষণ ওর দেখা না পাব এখানেই থাকব। 

নীলকমলের আত্মীয়া বলেন, নীলকমলের কোনও দোষ নেই। সে হাওড়ায় আছে না কোথায় আছে আমি জানি না। এদিকে রিনার বাড়ির লোকজনও থানার দ্বারস্থ হয়েছেন।

বন্ধ করুন