বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কড়া করোনাবিধির মাঝে ভিড়ে ঠাসা ট্রেন! কামরা থেকে পড়ে আহত ১
প্রতীকী ছবি। সৌজন্যে পিটিআই।
প্রতীকী ছবি। সৌজন্যে পিটিআই।

কড়া করোনাবিধির মাঝে ভিড়ে ঠাসা ট্রেন! কামরা থেকে পড়ে আহত ১

  • পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার বাসিন্দা চন্দন প্রচণ্ডের আত্মীয়দের দাবি, ভিড়ের কারণে তিনি চলন্ত ট্রেন থেকে কোনওভাবে নিচে পড়ে যান।

বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্ক। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে করোনা কেস। এরই মাঝে রাজ্যসরকারের তরফে কড়া করোনা বিধি লাগু করা হয়েছে। তবে সেই বিধিকে কার্যত তোয়াক্কা না করেই বহু স্টেশনেই ভিড়ের ছবিটা ভয়াবহ। উপচে পড়া ভিড় নিয়ে বহু লোকাল ট্রেন যাতায়াত করতে দেখা যাচ্ছে। যেখানে রাজ্য সরকারের নির্দেশ রয়েছে যে, প্রতিটি লোকাল ট্রেন ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে, সেখানে এই ভিড়ের ছবিতে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। এদিকে , তারই মাঝে এক ব্যক্তি এদিন ঠাসা ভিড়ের মাঝে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে আহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে, ডানকুনি ও বেলানগর স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায়।

জানা গিয়েছে, ডানকুনি বেলানগর স্টেশনের মাঝে হাজরাপাড়া ক্রসিংয়ের কাছে চলন্ত ট্রেনের কামরা থেকে পড়ে গিয়ে আহত হন চন্দন প্রচণ্ড নামে এক ব্যক্তি। স্ত্রী ও আত্মীয়দের নিয়ে তিনি ট্রেনে কলকাতা আসছিলেন বলে খবর। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার বাসিন্দা চন্দন প্রচণ্ডের আত্মীয়দের দাবি, ভিড়ের কারণে তিনি চলন্ত ট্রেন থেকে কোনওভাবে নিচে পড়ে যান। মুহূর্তে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় উত্তরপাড়া জেনারেল হাসপাতালে। পরে তাঁকে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উল্লেখ্য, রাজ্যের বহু স্টেশনেই কড়া করোনা বিধির মাঝে ভিড়ের ছবি ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালেও বালিগঞ্জ স্টেশনে যেমন প্রবল ভিড় দেখা যায়, তেমনই ট্রেনের কামরাতেও তিল ধারণের জায়গা ছিল না।

এদিকে, রবিবার নবান্নের তরফে জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, সোমবার সন্ধ্যে ৭ টার পর আর লোকাল ট্রেন চলবে না। পরে তা পাল্টানো হয়। কারণ দেখা যায়, এই নির্দেশিকার পরই বিভিন্ন স্টেশনে সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ প্রবল ভিড় শুরু হয়ে গিয়েছে। এরপর লোকাল ট্রেন চলাচলের সময়সীমা রাত ১০ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এছাড়াও করোনার বাড়বাড়ন্তের মাঝে একাধিক কড়া বিধি লাগু করেছে সরকার। বন্ধ করা হয়েছে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। সুইমিং পুল, সেলুন, স্পা, জিম, চিড়িয়াখানা, পর্যটন কেন্দ্র ও বিনোদন পার্ক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও শপিং মল, মার্কেট কমপ্লেক্স, রেস্তোরাঁ ও সিনেমা হলগুলিতে ৫০ শতাংশের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও শহর কলকাতায় ২৫ টি মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

বন্ধ করুন