বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'ফোনের নেটওয়ার্ক পাচ্ছি না', উত্তরাখণ্ডে আটকে বাংলার ১৪ পর্যটক, উদ্বিগ্ন পরিবার
উত্তরাখণ্ডে চলছে উদ্ধারকাজ। (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)
উত্তরাখণ্ডে চলছে উদ্ধারকাজ। (ছবি সৌজন্য রয়টার্স)

'ফোনের নেটওয়ার্ক পাচ্ছি না', উত্তরাখণ্ডে আটকে বাংলার ১৪ পর্যটক, উদ্বিগ্ন পরিবার

উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যদের প্রার্থনা, রাজ্য সরকার এই বিষয়ে উদ্যোগী হোক ও আটকে পড়া পর্যটকদের সুস্থভাবে বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা নিক।

পুজোর ছুটিতে উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন ১৪ জন বাঙালি পর্যটক। ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ফলে উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন পর্যটকদের পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার ভোরের দিকে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নৈনিতাল-সহ উত্তরাখণ্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা। কিছুদিন হাওড়া, হুগলি, কলকাতা থেকে উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে গিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন। বেশিরভাগেরই বাড়ি হাওড়ার কোনা এলাকায়। ধসে আটকে পড়া বাসিন্দাদের মধ্যে কোনার বাসিন্দা মলি কাঁড়ারের স্বামীও রয়েছেন। স্বামীকে নিয়ে উদ্বিগ্ন মলি জানান, ‘‌গতকাল রাত ১২টার সময়ে আমাকে জানায় ওরা ধসে আটকে রয়েছে। এরপর সকাল থেকে ফোনের নেটওয়ার্ক পাচ্ছি না। খুব চিন্তা হচ্ছে।’‌ মলি কাঁড়ারের স্বামীর সঙ্গে তাঁদেরই প্রতিবেশী বাসন্তী মান্নার ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতিও গিয়েছেন। তাঁরা আটকে পড়ায় চিন্তায় পড়েছেন বাসন্তী মান্না। প্রত্যেকেই জানান, তাঁরা জানতে পেরেছেন, সোমবার রানিখেত থেকে কাঠগোদামের দিকে যাচ্ছিলেন পর্যটকরা। তখন কাটছিধাম এলাকায় পাহাড়ি ধসের কবলে পড়েন আটকে পড়েন যাত্রীরা। পরিস্থিতি যা তাতে বুধবার সকালে ফেরার ট্রেন ধরার কথা থাকলেও তাঁদের পক্ষে তা সম্ভব নয় বলেই জানা গিয়েছে। কবে, কীভাবে ফিরতে পারবেন, তা নিয়ে অনেকেই সংশয়ে রয়েছেন।

উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যদের প্রার্থনা, রাজ্য সরকার এই বিষয়ে উদ্যোগী হোক ও আটকে পড়া পর্যটকদের সুস্থভাবে বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা নিক। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। এর মধ্যে শুধু নৈনিতালেই প্রাণ গিয়েছে ১২ জনের। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী গোটা পরিস্থিতি আকাশপথে পরিদর্শন করেছেন। জানা গিয়েছে বেশিরভাগ জায়গা জলমগ্ন হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গিয়েছে। বহু জায়গায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বন্ধ করুন