বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > শুরুতেই দুর্দান্ত সাফল্য 'উৎসশ্রী'-র, ১ মাসে বদলি ২,০০০ শিক্ষকের
এক মাসে বদলির সুবিধা পেয়েছেন ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষক–শিক্ষিকা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
এক মাসে বদলির সুবিধা পেয়েছেন ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষক–শিক্ষিকা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

শুরুতেই দুর্দান্ত সাফল্য 'উৎসশ্রী'-র, ১ মাসে বদলি ২,০০০ শিক্ষকের

স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, গত ১ মাসে এই পোর্টালের মাধ্যমে ১৩০৮ জন প্রাথমিক শিক্ষক ও ৮৯৫ জন সেকেন্ডারি শিক্ষক–শিক্ষিকা বদলি হয়েছেন।

রাজ্য সরকারের ঘোষিত উৎসশ্রী প্রকল্পে ব্যাপক সাড়া মিলল। চালু হওয়ার ১ মাসের মধ্যেই সুপারহিট। এই প্রকল্পের অধীনেই এখনও পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি শিক্ষক–শিক্ষিকা এই বদলির সুবিধা পেয়েছেন। নিজেদের পছন্দের মতো জায়গায় বদলির বিষয়টি শিক্ষক–শিক্ষিকাদের দীর্ঘদিনের দাবি। শুরুতেই যেভাবে সাড়া মিলেছে, তাতে এই চাহিদা পূরণে সরকারের এই পোর্টাল অনেকটাই সাহায্য করবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত।

গত ৩১ জুলাই সরকারের এই পোর্টালটির উদ্বোধন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, গত ১ মাসে এই পোর্টালের মাধ্যমে ১,৩০৮ জন প্রাথমিক শিক্ষক ও ৮৯৫ জন মাধ্যমিক শিক্ষক–শিক্ষিকা বদলি হয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষিক–শিক্ষিকাদের মধ্যে ৬,০৮৩ জনের আবেদন জমা পড়েছে। একই জেলার মধ্যে বদলি ও অন্য জেলায় বদলির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত আবেদনকারীদের মধ্যে ২,২১৪ জনের আবেদন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদে বিবেচনাধীন রয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষক–শিক্ষিকাদের বদলির প্রক্রিয়াও ভালোভাবেই এগোচ্ছে। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ২২,৩১৭ জন বদলির আবেদন করেছেন। তারমধ্যে ১৯,৯২০ জন শিক্ষক–শিক্ষিকা সাধারণ বদলির জন্য আবেদন করেছেন। ৪৬৯ জন প্রধান শিক্ষিকা সাধারণ বদলির জন্য আবেদন জমা দিয়েছেন। এছাড়াও ১,৪২৩ জন শিক্ষাকর্মীও বদলির জন্য আবেদন করেছেন। জানা গিয়েছে, ৫,৯৪৩টি আবেদনপত্র স্কুল সার্ভিস কমিশনে বিবেচনাধীন। পাশাপাশি যে সব স্কুলে বিষয়ভিত্তিক একজন করে শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছেন, তাঁদের আবেদনপত্র ফেরত দিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

শিক্ষক–শিক্ষিকারা যাতে বাড়ির কাছে বদলি হতে পারেন, সেজন্য রাজ্য সরকারের তরফে এই নতুন পোর্টালের সূচনা করা হয়। এর ফলে অনলাইনের মাধ্যমেই শিক্ষক শিক্ষিকারা তাঁদের বদলির আবেদন করতে পারছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই হারে যদি সাড়া মিলতে থাকে, তাহলে আগামী মাসের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সংখ্যা কয়েক হাজার পেরিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বন্ধ করুন