বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে কোমর বেঁধে নামল সিবিআই, ৩০ জায়গায় তল্লাশি ২২টি দলের
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে কোমর বেঁধে নামল সিবিআই, ৩০ জায়গায় তল্লাশি ২২টি দলের

  • কয়লা পাচার কাণ্ডে প্রথমে তদন্তে নামে আয়কর দফতর। তারা তদন্ত করে যে তথ্যপ্রমাণ বা নথি পেয়েছে সে সব জানতে চেয়ে আয়কর দফতরকে চিঠি দেয় সিবিআই।

কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে শনিবার কোমর বেঁধে নেমে পড়ল সিবিআই। এদিন সকাল থেকে প্রায় গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, রানিগঞ্জ, দুর্গাপুর, আসানসোল–সহ রাজ্যের ৩০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। 

জানা গিয়েছে, এদিন সকালে নিজাম প্যালেস থেকে সিবিআই আধিকারিকদের মোট ২২টি দল তদন্তে বেরিয়েছে। ওই আধিকারিকরাই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন। তার মধ্যে রয়েছে কয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার বাড়ি এবং অফিস। এমনকী অনুপ মাঝির ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে সিবিআইয়ের ম্যারাথন তল্লাশি।

কয়লা পাচার কাণ্ডে প্রথমে তদন্তে নামে আয়কর দফতর। তারা তদন্ত করে যে তথ্যপ্রমাণ বা নথি পেয়েছে সে সব জানতে চেয়ে আয়কর দফতরকে চিঠি দেয় সিবিআই। সেই ফাইল হাতে আসার পর এবার জোরকদমে তদন্তে নেমেছে সিবিআই–ও।

উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদ থেকে উত্তরবঙ্গে কয়লা পাচার করত কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল পাণ্ডা অনুপ মাঝি ওরফে লালা। আর তার এই কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিল গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে ধৃত এনামুল। লালার কয়লা যাতে সহজেই পাচার হয় সেটা নিশ্চিত করত এনামুলের লোকজন। ওদিকে, কয়েকদিন আগেই সিএ ফার্ম মালিক গোবিন্দ আগরওয়ালকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, লালা ও এনামুলের কালো টাকা সাদা করার কাজ করত এই গোবিন্দ আগরওয়াল। সেই সংক্রান্ত কিছু নথি হাতে এসেছে সিবিআইয়েরও।

বন্ধ করুন