বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > হাবরায় একই পরিবারের ৩ সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু
মঙ্গলবার দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

হাবরায় একই পরিবারের ৩ সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু

  • প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রকাশবাবু ও তাঁর ৭ বছরের ছেলে মিন্টুর দেহ পড়ে ছিল খাটে। আর সিলিং থেকে ঝুলছিলেন তাঁর স্ত্রী শম্পাদেবী।

উত্তর ২৪ পরগনার হাবরায় একই পরিবারের ৩ সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ছড়াল চাঞ্চল্য। মঙ্গলবার সকালে হাবরা থানা এলাকার পালপাড়া এলাকায় বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হয় স্বামী – স্ত্রী ও ৭ বছরের শিশুর দেহ। মৃত প্রকাশ পাল (৪৫) করোনা আক্রান্ত ছিলেন বলে জানাচ্ছেন অনেকে। কী কারণে মৃত্যু খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত ছিলেন পেশায় রাজমিস্ত্রী প্রকাশবাবু। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। হাবরার পালপাড়া এলাকায় এসএন ব্যানার্জি রোডে একটি বাড়িতে থাকতেন তাঁরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে দরজা না খোলায় বেলা ১১টা নাগাদ ডাকাডাকি শুরু করেন প্রতিবেশীরা। তাতেও সাড়া না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিয়ে ভিতরে ঢুকতেই দেখা যায় তিন জনের দেহ। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রকাশবাবু ও ৭ বছরের ছেলে মিন্টুর দেহ পড়ে ছিল খাটে। তাদের মুখ থেকে গ্যাঁজলা বেরোচ্ছিল। আর পাশের ঘরের সিলিং থেকে ঝুলছিলেন তাঁর স্ত্রী শম্পাদেবী। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, স্বামী ও ছেলেকে বিষ খাইয়ে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন শম্পাদেবী। সম্ভবত অনটন থেকেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাবরা থানার পুলিশ। দেহ তিনটি উদ্ধার করে বারাসত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। 

নিহতের বাবা ফটিক বিশ্বাস জানিয়েছেন, ছেলের দ্বিতীয় বিয়ে আমরা মেনে নিইনি। এই নিয়ে মামলা মোকদ্দমা চলছিল। নিহত শিশুটিও প্রকাশবাবুর নয়। শম্পাদেবীর আগের পক্ষের সন্তান সেটি। 

 

বন্ধ করুন