বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কয়লাপাচারে গ্রেফতার ৭ ECL আধিকারিকের ৫ দিনের CBI হেফাজত

কয়লাপাচারে গ্রেফতার ৭ ECL আধিকারিকের ৫ দিনের CBI হেফাজত

কয়লাপাচারে অভিযুক্তদের আদালতে পেশ করছে সিবিআই।

বুধবার ইসিএলএর প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ মল্লিক ও তন্ময় দাসকে গ্রেফতার করে সিবিআই। এছাড়া মুকেশ কুমার, রিঙ্কু বেহেরা, দেবাশিস মুখোপাধ্যায় নামে ৩ নিরাপত্তা আধিকারিককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা।

কয়লাপাচারকাণ্ডে গ্রেফতার ইসিএলএর বর্তমান ও প্রাক্তন ৪ কর্তাকে ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠাল আসানসোল আদালত। বৃহস্পতিবার আসানসোলে বিশেষ সিবিআই আদালতে তাদের পেশ করে গোয়েন্দারা। কয়লাপাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে বুধবার কলকাতার নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের পর তারা গ্রেফতার হন। অভিযুক্তদের সঙ্গে কয়লাপাচারকাণ্ডের মূল চক্রী অনুপ মাঝি ওরফে লালার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বুধবার ইসিএলএর প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ মল্লিক ও তন্ময় দাসকে গ্রেফতার করে সিবিআই। এছাড়া মুকেশ কুমার, রিঙ্কু বেহেরা, দেবাশিস মুখোপাধ্যায় নামে ৩ নিরাপত্তা আধিকারিককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা।

সিবিআইয়ের দাবি, ইসিএলের এই আধিকারিকদের সঙ্গে অনুপ মাঝির সরাসরি যোগাযোগ ছিল। অনুপ মাঝির সঙ্গে লেনদেন চলত তাদের। মোটা টাকার বিনিময়ে কোলিয়ারি থেকে কয়লা বোঝাই ট্রাক নথিভুক্ত না করেই বার করে দিতেন তারা। সেই কয়লাই পাচারকারীদের মাধ্যমে পৌঁছে যেত রাজ্যে ও রাজ্যের বাইরে।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের আইনজীবী। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের কোনও হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ দিতে পারেনি সিবিআই। তার পরেও তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও সিবিআইয়ের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে লালার যোগাযোগ স্পষ্ট।

ওদিকে এই ঘটনায় যুক্ত শাসকদলের নেতাদের গ্রেফতারি দাবি করেছেন বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, শুধু সরকারি আধিকারিকদের গ্রেফতার করলে হবে না। এর সঙ্গে যুক্ত শাসকদলের নেতাদের গ্রেফতার করতে হবে।

 

বন্ধ করুন