বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বাড়ির সামনে চিতাবাঘ, আতঙ্কে গোটা কোচবিহার, জারি হল ১৪৪ ধারা, অবশেষে পড়ল ধরা
বাড়িতে চিতা বাঘ।

বাড়ির সামনে চিতাবাঘ, আতঙ্কে গোটা কোচবিহার, জারি হল ১৪৪ ধারা, অবশেষে পড়ল ধরা

  • খবর দেওয়া হয় বন দফতরে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বন দফতরের আধিকারিকরা। চিতাবাঘকে খাঁচাবন্দি করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

এবার লোকালয়ে চলে এলো চিতা বাঘ। জলপাইগুড়ি এই আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার পরই কোচবিহারে এখন চিতা বাঘের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে লোকালয়ের একটি বাড়িতে ঢুকে পড়ে চিতা বাঘটি। তার জেরেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। খবর দেওয়া হয় বন দফতরে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বন দফতরের আধিকারিকরা। চিতাবাঘকে খাঁচাবন্দি করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

কোথা থেকে এলো চিতাবাঘ?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, লোকালয় থেকে বহু দূরে একটি জঙ্গল আছে। সম্ভবত সেখান থেকেই এই চিতাবাঘটি এখানে ঢুকে পড়েছে। তার গর্জনও শোনা গিয়েছে। এলাকার মানুষই ফোন করে বন দফতরে খবর দিয়েছেন। বন দফতরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছেন। কোচবিহার শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলাবাগান এলাকায় দেখা মিলেছে চিতাবাঘের। চিতাবাঘটি প্রথমে দেখতে পান মনোজ সরকার।

বৃহস্পতিবার মনোজবাবু ঘুম চোখে শৌচাগার যাচ্ছিলেন। হঠাৎ সামনে কিছু দেখে থমকে যান। তারপর যা দেখলেন তাতে তাঁর ঘুম উড়ে যায়। কারণ তখন ঘোরাফেরা করছে একটি চিতাবাঘ। বন দফতরের কর্মীরা এসে গিয়েছেন সেখানে। ঘটনাস্থলে আসেন কোতোয়ালি থানার পুলিশও। চিতাবাঘকে ধরতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। অবশেষে বন দফতরের তৎপরতায় দরজা ফুটো করে চালানো হল ঘুমপাড়ানি গুলি। আর তাতেই কাত চিতাবাঘ। উদ্ধার করল বন দফতরের কর্মীরা।

এখন বন দফতরের কর্মীরা চিতাবাঘ ধরতে ফাঁদ পাততে শুরু করেছেন। কোনওভাবে যেন সে পালিয়ে যেতে না পারে। এমনকী মনোজবাবুর বাড়ির ভিতরেও শুরু হয়েছে জাল পাতার কাজ। এলাকায় উৎসাহী মানুষের ভিড় দেখা গিয়েছে। তাই কাজ শুরু করতে একটু দেরি হয়ে যায়। আতঙ্ক রয়েছে পুরোদমে। মনোজবাবু ও তাঁর পরিবার আতঙ্কে কাঁপছেন।

বন্ধ করুন