বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বিশাল আকৃতির ফুল, আতঙ্ক বর্ধমানে, মতামত দিলেন বিজ্ঞানীরা
ফুলটি আসলে কী মতামত দিয়েছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা (ফাইল ছবি)
ফুলটি আসলে কী মতামত দিয়েছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা (ফাইল ছবি)

বিশাল আকৃতির ফুল, আতঙ্ক বর্ধমানে, মতামত দিলেন বিজ্ঞানীরা

  • গাছের তলায় ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছে ফুলটি

ফুলের মতো দেখতে। ধীরে ধীরে পাপড়ি ছড়িয়েছে মাটির উপর। বাদামী রঙের এই বস্তুটি আসলে কী? বর্ধমানের ইদিলপুরে এই ফুলকে ঘিরে একদিকে কৌতূহল, অন্যদিকে চাপা আতঙ্ক। বাসিন্দাদের মতে, রাত হলেই এই ফুল থেকে মারাত্মক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধে এলাকায় টেকা যাচ্ছে না। তবে সকাল হলে সেভাবে গন্ধ থাকে না। অশুভ কোনও সংকেত নয় তো? এসব ভেবে রাতের ঘুম উড়েছে অনেকেরই। বাসিন্দাদের মতে, একটা গাছের নীচে ধীরে ধীরে ফুলটি বেড়েছে। কিন্তু আদতে এটি কী তা এখনও পরিষ্কার নয় অনেকের কাছে।

তবে এব্যাপারে যাবতীয় ধন্ধ কাটিয়েছেন উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক জানিয়েছেন,' আমরা খাবার হিসাবে যে ওল ব্যবহার করি এটি হল সেটাই।  এটির বৈজ্ঞানিক নাম আমোফফালাস টাইটেনিয়াম। এটি তারই পুষ্পমঞ্জরী। অত্যাধিক গরমে বংশবিস্তারের জন্য অনেক সময় ওল গাছে এই ধরণের পুষ্পমঞ্জরী দেখা যায়।'  বিশ্ববিদ্যালয়ের অপর এক উদ্ভিদ বিজ্ঞানী বলেন, 'অনেক সময় মাটি থেকে তুলে নেওয়ার পরেও ওলের শিকড়ের অংশ কিছুটা থেকে যায়। তা থেকে পরবর্তী সময় আবার মাটির তলায় ওল জন্মায়। বংশবিস্তারের জন্য পুষ্পমঞ্জরী তৈরি হয়। প্রায় ১২ থেকে ১৪ বছর পর এটা হতে পারে। এটাও তাই হয়েছে। এনিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। একেবারে সাধারণ প্রজাতির ওল এটি। তবে এটি থেকে পচা মাংসের মতো দুর্গন্ধ বের হয়।' 

 

 

 

বন্ধ করুন