বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > আগুনে পুড়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার, মশা মারার ধূপ থেকেই কি আগুন? খতিয়ে দেখছে পুলিশ
আগুনে পুড়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার, মশা মারার ধূপ থেকেই কি আগুন! খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ছবিটি প্রতীকী। 

আগুনে পুড়ে মৃত্যু প্রৌঢ়ার, মশা মারার ধূপ থেকেই কি আগুন? খতিয়ে দেখছে পুলিশ

  • ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে।

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার বোয়ালিয়া গ্রামে। ঘরের ভিতরেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক পক্ষাঘাতগ্রস্ত প্রৌঢ়ার। মৃতার নাম গৌরী সাহা (৫৪)। তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ায় আগুন লাগার পরেও ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। ফলে ঘরের ভিতরেই আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় ওই প্রৌঢ়ার। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদিও গ্রামবাসীদের দাবি, মশা মারার ধূপ থেকেই আগুন লেগেছে। তবে আদৌও তাই ঘটেছে নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, পক্ষাঘাতগ্রস্ত এই প্রৌঢ়ার নড়াচড়া করার ক্ষমতা ছিল না। তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন। শুধুমাত্র তার রান্না করে দেওয়ার জন্য একজন মহিলাকে কাজে রাখা হয়েছিল। সেই মহিলাই বাড়িতে এসে রান্না করে দিয়ে আবার চলে যেতেন। গতকাল রাতে ঘটনাটি ঘটার আগে ওই মহিলা রান্না করে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এরপর গভীর রাতে বাড়িতে আগুন লাগে। ঘটনায় সময় গভীর রাত হওয়ায় গ্রামের সকলেই তখন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ফলে আগুন লাগার বিষয়টি প্রথমে টেরই পাননি গ্রামবাসীরা। পরে ধোঁয়া এবং পোড়া গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন দাউদাউ করে জ্বলছে প্রৌঢ়ার বাড়ি।

তড়িঘড়ি স্থানীয়রা বালতিতে করে জল ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে আগুন অনেকটাই ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে প্রৌঢ়াকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাঁটাচলা করতে না পারায় ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যেই পুড়ে মৃত্যু হয় তার। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

বন্ধ করুন