বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্যাঙ্গোলিনও চুরি করছে তৃণমূল! গ্রেফতার উপপ্রধান, দূত হইতে সাবধান, দাবি বিজেপির

প্যাঙ্গোলিনও চুরি করছে তৃণমূল! গ্রেফতার উপপ্রধান, দূত হইতে সাবধান, দাবি বিজেপির

প্যাঙ্গোলিন বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

শাসকদলের নেতা এভাবে প্যাঙ্গোলিনের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী বিক্রি করছে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম শোরগোল এলাকায়। তবে গোটা ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রশ্ন উঠছে একজন দায়িত্ববান উপপ্রধান কীভাবে এই কাণ্ড ঘটাতে পারেন?

চাকরি চুরি, ত্রিপল চুরি, বালি চুরি, কয়লা চুরি সহ নানা অভিযোগ এর আগে উঠেছে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। এনিয়ে চাপানউতোরও চলেছে পুরোদমে। এবার প্যাঙ্গোলিন চুরিতেও নাম জড়াল এক তৃণমূল নেতার। আলিপুরদুয়ারের ঘটনা। ধৃত ব্যক্তি আবার আলিপুরদুয়ারের খোয়ারডাঙা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। এদিকে খোদ উপপ্রধানের নাম বন্যপ্রাণ চুরির ঘটনায় জড়িয়ে যাওয়ার মহা সমস্য়ায় পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ঠিক কী অভিযোগ ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে?

সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তির নাম জেমস বোরোগাঁ। একটি জীবন্ত প্য়াঙ্গোলিন সহ তাকে শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়। বনদফতরের দাবি ওই প্য়াঙ্গোলিনটাকে বিক্রি করার কথা ছিল। সেই অনুসারে ছক কষা হয়েছিল। কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। বনদফতর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যান। এরপর বনদফতরের আধিকারিকরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। আসলে ক্রেতা সেঁজে ফাঁদ পেতেছিল বনদফতর। তখনই সেই ফাঁদে পা দিয়ে ফেলেন ওই তৃণমূল নেতা।

তবে গোটা ঘটনায় তীব্র কটাক্ষ করছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের কটাক্ষ, এতদিন বালি, ত্রিপল, চাকরি সব চুরি করছিল। এবার প্যাঙ্গোলিনও চুরি করে নিচ্ছে তৃণমূল নেতা। দিদির দূত কর্মসূচিতে তৃণমূল নেতারা গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন। তাদের থেকে সাবধান। ঘটি বাটিও নিয়ে চলে যাবে তারা।

আলিপুরদুয়ার রেঞ্জের নিমতি রেঞ্জ এলাকায় ক্রেতা হিসাবে ফাঁদ পেতেছিল বনদফতর। আর তখনই ধরা পড়ে যায় ওই তৃণমূল নেতা। পূর্ব রাজাভাতখাওয়া আর নিমতি রেঞ্জ এলাকায় তিনি ওই প্যাঙ্গোলিন বিক্রির চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ।

আর তখনই ধরা পড়ে যান তিনি। তিনি খোয়ারডাঙা পঞ্চায়েতের উত্তর নারারথলি এলাকার বাসিন্দা। এদিকে সে প্যাঙ্গোলিনটি কোথা থেকে পেয়েছিল তা বনদফতর খতিয়ে দেখছে। এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়়িত কি না তা বনদফতর খতিয়ে দেখছে।

তবে শাসকদলের নেতা এভাবে প্যাঙ্গোলিনের মতো বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী বিক্রি করছে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম শোরগোল এলাকায়। তবে গোটা ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রশ্ন উঠছে একজন দায়িত্ববান উপপ্রধান কীভাবে এই কাণ্ড ঘটাতে পারেন? তবে কি এর পেছনে শাসকদলের আরও লোকজন রয়েছেন? গোটাটাই খতিয়ে দেখছে বনদফতর। বন ও বন্যপ্রাণ রক্ষা না করে এভাবে বন্যপ্রাণ পাচারের চেষ্টা করছিলেনর তৃণমূল নেতা, এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা ডুয়ার্সে।

তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিকবরাইকের দাবি, কোনও অসামাজিক কাজকে দল বরদাস্ত করে না। এটা তার ব্য়ক্তিগত বিষয়। 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন