বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'জাতির প্রমাণপত্র দেখতে চাওয়ায়' তিন-ধনুক নিয়ে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও আদিবাসীদের
'জাতির প্রমাণপত্র দেখতে চাওয়ায়' তিন-ধনুক নিয়ে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও আদিবাসীদের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
'জাতির প্রমাণপত্র দেখতে চাওয়ায়' তিন-ধনুক নিয়ে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও আদিবাসীদের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

'জাতির প্রমাণপত্র দেখতে চাওয়ায়' তিন-ধনুক নিয়ে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও আদিবাসীদের

এদিন তাঁরা সংগঠনের তরফে এসডিও–এর সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন। তাঁরা চান, বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর কানে যাক।

‌লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেতে দুয়ারে সরকারের শিবিরে দাঁড়িয়েছিলেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। সেখানে তাঁদের কাছে জাতির প্রমাণপত্র দেখতে চাওয়ায় তির, ধনুক নিয়ে জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে রাখলেন ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা। ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ারে। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়।

এদিন আদিবাসী সংগঠনের সম্পাদক শিব টোপ্পো অভিযোগ করেন, ‘‌লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আমাদের কাছে জাতির প্রমাণপত্র চাইছে। তাহলে নাকি ১ হাজার টাকা দেওয়া হবে। দীর্ঘদিন ধরে আদিবাসীরা বসবাস করছেন। আমরা ওঁরাও, টোপ্পো লিখলেও আমরা আদিবাসীই। সরকারের এটা জানা উচিত। রাজ্য সরকারের কাছে তো সব তথ্য রয়েছে। সরকারের কাছে তো আমরা এসটি। তাই এই যোজনায় আমাদের জাতির প্রমাণপত্র না নেওয়া হোক।’‌ এদিন তাঁরা সংগঠনের তরফে এসডিও–এর সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন। তাঁরা চান, বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর কানে যাক। এদিন তির, ধনুক নিয়ে আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা চলে আসেন আলিপুরদুয়ারের প্রশাসনিক ভবনে। প্রশাসনিক ভবন বেশ কিছুক্ষণ ঘেরাও করে রাখেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কোনও ফর্মের ফটোকপি করা যাবে না। প্রত্যেক ফর্মের একটি নির্দিষ্ট ইউনিক কোড থাকবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ফর্ম পাওয়ার জন্য জাতির প্রমাণপত্র দিতে হবে। এবার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে সেই জাতির প্রমাণপত্র চেয়ে বসায় বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

বন্ধ করুন