বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Hilsa Fish: ভাগীরথীর মিষ্টি জলে ইলিশ চাষে উদ্যোগী প্রশাসন
 ইলিশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)
 ইলিশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

Hilsa Fish: ভাগীরথীর মিষ্টি জলে ইলিশ চাষে উদ্যোগী প্রশাসন

  • কেন্দ্রীয় সরকারের ‘‌নমামি গঙ্গে’‌ প্রকল্পের অংশ হিসাবে আইসিএমআরের বিজ্ঞানীরা গত তিন বছর ধরে মিষ্টি জলে ইলিশ প্রজননের জন্য গবেষণা চালাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে রাজ্য সরকারের তরফেও গবেষণাকেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‌রাজ্যে বাঙালির পাতে যাতে সারা বছর ধরে ইলিশ জুটতে পারে, সেজন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। কিন্তু ভাগীরথীর মিষ্টি জলে কী ইলিশ চাষ সম্ভব?‌ এবার সেই সম্ভাবনাই দেখা দিয়েছে। ইলিশ চাষের জন্য তৈরি হচ্ছে গবেষণাগার। আর এই বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রে খবর, ভাগীরথী নদীর মিষ্টি জলেই ইলিশ মাছ চাষ হবে। ফারাক্কা ব্যারেজের ডাউন স্ট্রিমে ইলিশ চাষের জন্য একটি গবেষণাগার তৈরি করা হচ্ছে। সম্প্রতি এই গবেষণাগার তৈরির জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের জেলা শাসক শরদ দ্বিবেদী। জানা যায়, পদ্মায় ইলিশ চাষের আদলে ভাগীরথীতেও ইলিশ চাষের পরিকল্পনা নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি এই প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট চলে এলেই তা নবান্নে অনুমোদনের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হবে। অনুমোদন পেলেই চলতি বছরেই মিষ্টি জলে ইলিশ চাষের কাজ শুরু করে দেবে মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘‌নমামি গঙ্গে’‌ প্রকল্পের অংশ হিসাবে আইসিএমআরের বিজ্ঞানীরা গত তিন বছর ধরে মিষ্টি জলে ইলিশ প্রজননের জন্য গবেষণা চালাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে রাজ্য সরকারের তরফেও গবেষণাকেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটা ইলিশ প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ ডিম ছাড়ে। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে। সরকারিভাবে খোকা ইলিশ তোলা নিষিদ্ধ করা হলেও নজরদারির অভাবে তা কোনওদিনই কার্যকর হয়নি। তাই এবার ভাগীরথীর মিষ্টি জলে যাতে ইলিশ চাষ হয়, সেই উদ্যোগ নিল মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন।

বন্ধ করুন