বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মমতার সভায় মূল মঞ্চে মেলেনি স্থান, দল ছাড়ার হুঁশিয়ারি কোচবিহারের পুর প্রশাসকের
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

মমতার সভায় মূল মঞ্চে মেলেনি স্থান, দল ছাড়ার হুঁশিয়ারি কোচবিহারের পুর প্রশাসকের

  • এ ব্যাপারে এদিন তিনি বলেন, ‘‌মূল মঞ্চে আমায় না জায়গা দিয়ে পাশের মঞ্চে আমাকে বসানো হয়েছে। কিন্তু আমি দেখলাম, মূল মঞ্চে যাঁদের ওঠার যোগ্যতা নেই তাঁদের ওই মঞ্চে দেখা যাচ্ছে। এতে আমি খুব অপমানিত বোধ করেছি।’‌

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহার ছাড়তে না ছাড়তেই জেলা নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ উগরে দল ছাড়ার হুঁশিয়ারি দিলেন কোচবিহারের পুর প্রশাসক ভূষণ সিং। বুধবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূল মঞ্চে ছিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়, জেলার সাত তৃণমূল বিধায়ক ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক জলিল আহমেদ। এমনকী ওই মঞ্চে জায়গা পেয়েছিলেন বাম থেকে তৃণমূলে আসা পরেশ অধিকারীও। আর পাশে ছোট মঞ্চে জায়গা পান কোচবিহার পুরসভার প্রশাসক ভূষণ সিং। আর এ নিয়েই তাঁর ক্ষোভ।

এ ব্যাপারে এদিন তিনি বলেন, ‘‌মূল মঞ্চে আমায় না জায়গা দিয়ে পাশের মঞ্চে আমাকে বসানো হয়েছে। কিন্তু আমি দেখলাম, মূল মঞ্চে যাঁদের ওঠার যোগ্যতা নেই তাঁদের ওই মঞ্চে দেখা যাচ্ছে। এতে আমি খুব অপমানিত বোধ করেছি।’‌

দলের প্রতি ক্ষোভ উগরে কোচবিহার পুরসভার প্রশাসক বলেন, ‘‌‌যদি দল বা কোচবিহারের নেতৃত্বে যাঁরা আছেন তাঁরা যদি মনে করেন যে ভূষণ সিংয়ের দরকার নেই তা হলে ওরা বলে দিক, আমি দল ছেড়ে চলে যাব। আমার কিছু যায় আসে না। এভাবে চলতে থাকলে দল কীভাবে টিকে থাকবে?‌ দল থেকে তো একে একে সব বেরিয়ে যাচ্ছে। এভাবে ভোটে জেতা যায় না।’‌

এদিকে, গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়। অন্যদিকে, শাসকের কোন্দলে প্রাণ পাচ্ছে বিরোধী শিবির বিজেপি। এ নিয়ে এক জেলা বিজেপি নেতা বলেন, ‘‌তৃণমূলের আর কিছু নেই। এই ভরাডুবির সময়ে এমন ভুল করাই স্বাভাবিক।’‌ উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটে কোচবিহার কেন্দ্রটি তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নেয় গেরুয়া শিবির। আর এ ঘটনায় আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে শাসকদলে অস্বস্তি ফের বাড়ল।

বন্ধ করুন