বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্রয়াত বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের দেখানো পথে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন তাঁর স্ত্রী
দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন  প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রী ও পুত্র  (নিজস্ব চিত্র )
দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন  প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রী ও পুত্র  (নিজস্ব চিত্র )

প্রয়াত বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের দেখানো পথে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন তাঁর স্ত্রী

  • গত ১৯শে জুন প্রয়াত হন গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। এদিকে বেঁচে থাকাকালীনও তিনি নানাভাবে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করতেন।

বিপদ আপদের দিনগুলিতে স্বামী থাকতেন দুর্গত মানুষদের পাশে। পরিবারের সদস্যদেরও বার বার বলতেন গরিব মানুষের পাশে থাকার জন্য। বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের প্রয়াত হওয়ার পরে তাঁর দেখানো পথেই দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তাঁর স্ত্রী ও সন্তান। টানা বৃষ্টিতে গোসাবার বিস্তীর্ণ এলাকা যখন প্লাবিত হয়ে গিয়েছে, সেই খবর শুনেই দুর্গত এলাকায় ছুটে যান প্রয়াত বিধায়কের পরিবার। প্রয়াত বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের স্ত্রী অনিতা নস্কর ও ছেলে বাপ্পাদিত্য নস্কর গোসাবা সংলগ্ন বিভিন্ন দ্বীপ ঘুরে দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণ পৌঁছে দেন। এদিন জয়ন্ত নস্করের অনুগামীরাও দুর্গত মানুষদের পরিবারের পাশে দাঁড়ান।

গত ১৯শে জুন প্রয়াত হন গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। এদিকে বেঁচে থাকাকালীনও তিনি নানাভাবে দুর্গত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করতেন। সেই পথেই অসহায় মানুুষদের পাশে দাঁড়ালেন প্রয়াত বিধায়কের পরিবার। তাঁর স্ত্রী অনিতা নস্কর স্বামীর কথা বলতে গিয়ে কান্না চেপে রাখতে পারেননি। তিনি বলেন, 'স্বামী বলতেন গরিব, দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে। সামর্থ্য অনুসারে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। মানুষের সেবা করার কথা বলতেন তিনি। সেকারনেই আমরা দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছি। অনেকের ঘরবাড়ি ভেঙে গিয়েছে। ভালো করে খেতে পারছেন না অনেকেই। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা আমরা করেছি।'

তাঁর ছেলে বাপ্পাদিত্য নস্কর বলেন, 'বাবার রাজনৈতিক কাজের সঙ্গে আমরা যুক্ত ছিলাম না। কর্মসূত্রে আমি কলকাতায় থাকি। পুলিশে চাকরি করি। বাবাকে আমরা ছোটবেলা থেকেই দেখেছি মানুষের বিপদে পাশে থাকতে। বাবা বলতেন এখানকার যা বিষয় সম্পত্তি আছে তা এখানকার মানুষদের দিয়ে যেতে চাই। মায়ের নির্দেশে সাধ্যমতো গরিব মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।' 

 

বন্ধ করুন