বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কার্যত বাসিন্দাদের চাপে আলিপুরদুয়ারে ফের চালু মা ক্যান্টিন, দুপুরবেলা ফের ডিমভাত
আলিপুরদুয়ারে ফের চালু মা ক্যান্টিন (প্রতীকী ছবি)
আলিপুরদুয়ারে ফের চালু মা ক্যান্টিন (প্রতীকী ছবি)

কার্যত বাসিন্দাদের চাপে আলিপুরদুয়ারে ফের চালু মা ক্যান্টিন, দুপুরবেলা ফের ডিমভাত

  • রাজ্যের বহু মানুষের কাছে আজ অন্যতম ভরসার জায়গা এই মা ক্যান্টিন। 

করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্য জুড়ে কার্যত লকডাউনের ছবি। করোনা বিধি মেনে চলার জন্য কড়া বিধি চালু হয়েছে রাজ্যে। এই সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যেই গত রবিবার থেকে আচমকাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের কলেজ হল্টের মা ক্যান্টিন। কার্যত অথৈ জলে পড়েছিলেন বাসিন্দারা। ৫ টাকার বিনিময়ে ডিম ভাত খেতে এসে ফিরে যেতে হয় অনেককেই। এনিয়ে সংবাদ মাধ্যমে খবর সম্প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে পুরকর্তৃপক্ষ। ফের মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে মা ক্যান্টিন। ফের চা বলয়ের গরিব মানুষ যারা এখানে খেতে আসতেন তাঁদের মুখে চওড়া হাসি। তাঁরা বলেন, দুদিন মা ক্যান্টিন বন্ধ থাকায় অত্যন্ত সমস্য়া হয়ে গিয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভিক্ষাবৃত্তি করার মতো পরিস্থিতি নেই। যাঁরা ছোটখাটো কাজ করতেন তাঁদের সেই কাজ আপাতত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাধ্য হয়েই কার্যত ভুখা পেটে থাকতে হচ্ছিল অনেককেই। তবে মা ক্যান্টিন ফের চালু হওয়ায় বহু মানুষের উপকার হয়েছে। গোটা ঘটনায় পুরকর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিছু মানুষ দুপুরের খাবার খেতে এসে ফিরে যাচ্ছিলেন। সেকারণেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ফের মা ক্যান্টিন চালু হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিত ক্যান্টিন চালু থাকবে। তবে দূরত্ব বিধি মেনে, মাস্ক পরে ও করোনা সতর্কতা বিধি মেনে খাবার নেওয়ার ব্যাপারে পুরকর্তৃপক্ষ অনুরোধ করেছে।  

প্রসঙ্গত রবিবার দুপুরে আচমকাই খেতে এসে আলিপুরদুয়ারের অনেকেই দেখেছিলেন মা ক্যান্টিলে তালা ঝুলছে। এরপর বেকায়দায় পড়ে যান তাঁরা। তবে ফের এই মায়ের রান্নাঘর খোলা দেখে খুশি অনেকেই। স্থানীয় সূত্রে খবর, রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো বিধানসভা ভোটের আগে আলিপুরদুয়ার কলেজ হল্ট এলাকায় চালু হয় এই ক্যান্টিন। প্রায় ২০০ জন মানুষ এই ক্যান্টিনে নিয়মিত খান। চা বাগান অধ্যুষিত আলিপুরদুয়ারে এই মা ক্যান্টিন অনেকেরই ভরসার জায়গা। ভিক্ষাজীবী, হতদরিদ্র মানুষ দুপুর হলেই এই ক্যান্টিনে ৫টাকার বিনিময়ে ভাত, ডাল, সবজি ও ডিম খেয়ে যান। সংকটের দিনে এবার থেকে অন্তত দুপুরের খাবারটা জুটবে। এতে যথেষ্ট খুশি তাঁরা।

 

 

বন্ধ করুন