বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'আমাকে ল্যাং মারল, মিহিরকে ল্যাং মেরে তাড়িয়েই দিল!' ফের রবির নিশানায় পার্থ
রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে বিগত দিনে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছিলেন পার্থ প্রতীম রায়। এখন সেই সম্পর্কই তলানিতে।

'আমাকে ল্যাং মারল, মিহিরকে ল্যাং মেরে তাড়িয়েই দিল!' ফের রবির নিশানায় পার্থ

  • রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, 'আবার দেখি ঠাকুর আসনে বসছে। বসেই বলছে আটিয়া কলা দাও। দই চিড়ে দাও। সন্দেশ দাও। ঠাকুর যদি সন্তুষ্ট না হয় তবে কোনও পদেই থাকতে পারবে না। বুথ সভাপতিও থাকতে পারবে না। গুরুত্ব থাকবে না। যেমন আমার অবস্থা হয়েছে।'

কোচবিহারে তৃণমূলের জেলা সভাপতি পার্থপ্রতীম রায় ও প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের মধ্যে সংঘাত একেবারে তুঙ্গে। দিন কয়েক আগেই নাম না করে জেলা সভাপতিকে গোখরো, পুঁটি মাছের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। এবারও কোচবিহারে আইএনটিটিইউসির অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। নাম না করে পার্থপ্রতীম রায়কে নিশানা করলেন তিনি।

এদিন ভরা সভায় তিনি বলেন, 'একটা লোক কাকে কাকে ল্যাং মারেনি। একটা লোক আমাকে ল্যাং মারল ঠিক আছে। মিহির গোস্বামীকে ল্যাং শুধু নয়। দল থেকে তাড়িয়ে দিল। বিনয় বর্মনের ঘাড়ে বসে পড়ল। বিনয়ের পরে ঠাকুর নিজেই বসলেন। গিরীন্দ্র বাবু এলেন। সাদা মনের মানুষ। এই চলতে গিয়ে কখন যে ফিতেটা কেটে দিল তা বুঝতেই পারা গেল না। আমরাও বুঝতে পারি না।' তৃণমূল থেকে চলে যাওয়া বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামীর কথাও উল্লেখ করলেন তিনি।

রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, 'আবার দেখি ঠাকুর আসনে বসছে। বসেই বলছে আটিয়া কলা দাও। দই চিড়ে দাও। সন্দেশ দাও। ঠাকুর যদি সন্তুষ্ট না হয় তবে কোনও পদেই থাকতে পারবে না। বুথ সভাপতিও থাকতে পারবে না। গুরুত্ব থাকবে না। যেমন আমার অবস্থা হয়েছে।' আর দলের জেলা সভাপতি পার্থপ্রতীম রায় একথা শুনে বলেন, আমি অত শক্তিশালী নই। দলের একজন সাধারণ কর্মী। সকলকে নিয়ে চলতে চাই।

এদিকে দলের একাংশের মতে একটা সময় রবীন্দ্রনাথ ঘোষের হাত ধরেই তৃণমূলের রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়েছিল পার্থপ্রতীমের। সেই শিষ্যের বিরুদ্ধেই ল্যাং মারার অভিযোগ তুললেন রবীন্দ্রনাথ।

বন্ধ করুন