বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > এক বছরে বন্ধ ১৮ জুটমিল, সবগুলিই খুলবে, দাবি শ্রমমন্ত্রীর
বেচারাম মান্না। (ফাইল ছবি)
বেচারাম মান্না। (ফাইল ছবি)

এক বছরে বন্ধ ১৮ জুটমিল, সবগুলিই খুলবে, দাবি শ্রমমন্ত্রীর

যে ১৮টি জুটমিল বন্ধ হয়ে পড়েছিল, তাতে ৫০ হাজার কর্মী কাজ করতেন। এই সব চুটমিল খুলে গেলে এই সংখ্যক মানুষ কাজ ফিরে পাবেন।

কাঁচামালের অভাব ও আর্থিক সমস্যার কারণে এক বছরে রাজ্যে ১৮টি চটকল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে খুব তাড়াতাড়ি সেই সব বন্ধ চটকল খুলবে বলেই জানালেন রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী বেচারাম মান্না। এর ফলে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও রাজ্যে প্রচুর মানুষের হাতে কাজ আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে রাজ্যে বেশ কিছু বন্ধ চটকল খুলে গিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আরও বেশ কিছু চটকল খুলে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন শ্রমমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে শ্রমমন্ত্রী জানান, ‘‌রাজ্যের অন্যতম প্রধান শিল্প হচ্ছে পাটশিল্প। দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০টি চটকলের মালিক ও ইউনিয়নগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছি। ১০টিরই সমস্যা মিটেছে। বাকি চটকলগুলির মালিক ও ইউনিয়নগুলির সঙ্গেও বৈঠকে বসব। আশা করছি, চলতি মাসেই লব চটকল খুলে যাবে।’‌ জানা গিয়েছে, যে ১৮টি জুট মিল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, এর মধ্যে ৭টি জুটমিল ইতিমধ্যে খুলেছে। শ্রম কমিশনার তীর্থঙ্কর সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, দু'তিন দিনের মধ্যেই তিনটি জুটমিল খুলে যাবে। আজ খুলে যাচ্ছে গোন্দলপাড়া জুট মিল। সোমবার খুলবে ইন্ডিয়া জুট মিল ও মঙ্গলবার খুলবে হুগলি মিলস।

এই প্রসঙ্গে ই্ন্ডিয়ান জুট মিল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রাঘবেন্দ্র গুপ্ত জানিয়েছেন, একদিকে কাঁচামালের জোগান আসতে শুরু করেছে, অন্যদিকে শ্রমমন্ত্রীর উদ্যোগে শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ মিটতে শুরু করেছে। এর ফলে ফের নতুন করে জুটমিলগুলি খোলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হতে শুরু করেছে। ওয়াকিবহল মহলের মতে, দু'দশকের মধ্যে এই বছরই পাটের ফলন খুব ভালো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, যে ১৮টি জুটমিল বন্ধ হয়ে পড়েছিল, তাতে ৫০ হাজার কর্মী কাজ করতেন। এই সব চুটমিল খুলে গেলে এই সংখ্যক মানুষ কাজ ফিরে পাবেন। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে ৫০ হাজারের মধ্যে ২৫ হাজারেরও বেশি কর্মী কাজ ফিরে পেয়েছেন। করোনা পরিস্থিতিতে যখন অসংখ্য মানুষ কাজ হারিয়েছেন, তখন সরকারের এই বন্ধ জুটমিল খোলার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই।

বন্ধ করুন