বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > TMC party office: সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস! অভিযোগ জানাতেই ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন

TMC party office: সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস! অভিযোগ জানাতেই ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন

সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের পার্টি অফিস বানানোর অভিযোগ। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে এএনআই)

অভিযোগ, ধুপগুড়ির বারঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বৃদ্ধাশ্রম দিব্যজ্যোতি বিদ্যানিকেতন হাইস্কুলের পাশে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের জায়গা রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে জায়গাটি দখল করে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় তৈরি করা হচ্ছে।

সরকারি জায়গা দখল করে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় তৈরি করার অভিযোগ উঠল। আর এলাকার এক ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে এই অভিযোগ জানাতে গেলে ঘটে বিপত্তি। তাঁর দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে। ওই ব্যবসায়ীর নাম তপন দাস। তিনি তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যবসায়ী ধুপগুড়ি এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ, ধুপগুড়ির বারঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বৃদ্ধাশ্রম দিব্যজ্যোতি বিদ্যানিকেতন হাইস্কুলের পাশে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের জায়গা রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে সেখানে জায়গাটি দখল করে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় তৈরি করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যবসায়ী ধুপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীনেশ মজুমদার এবং তৃণমূলের গ্রামীণ ব্লক সভাপতি দীপু রায়ের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। যদিও দীপু রায় এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। তিনি নিজেও এই ধরনের কাজকে সমর্থন করেন না বলেই জানিয়েছেন। উলটে তিনি এর জন্য জেলা সভাপতিকে লিখিত অভিযোগ জানাবেন বলেও করেছেন। ব্যবসায়ীর আরও অভিযোগ, তাঁর একটি জায়গাও বেআইনিভাবে তৃণমূলের তরফে দখল করা হচ্ছে। এনিয়ে তিনি ধুপগুড়ি থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশে অভিযোগ নিতে চাইনি। ফলে বাধ্য হয়ে তিনি জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার বিশ্বজিৎ মাহাতোর কাছে লিখিত অভিযোগ জানান।

আর তারপরেই ঘটে বিপত্তি। অভিযোগ জানানোর পরে রহস্যজনকভাবে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন লেগে যায়। এমনকী তার বাড়ির দরজায় ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। ব্যবসায়ী জানান, পুলিশ অভিযোগ নিতে চাইনি। তাই তিনি পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন।

এদিকে, আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ধুপগুড়ি থানার পুলিশ এবং দমকল ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে দমকল পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছে ব্যবসায়ীর পরিবার।

ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে সরকারি জমি দখল নিয়ে সতর্ক করছেন সেক্ষেত্রে তৃণমূল কর্মীরাই কীভাবে এই কাজ করছে? অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীনেশ মজুমদার বলেন, ওখানে কেউ দলীয় কার্যালয় তৈরি করেনি। ওই জমি নিয়ে মামলা চলছে। এখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। বিজেপি নেতা নরেশ রায় তৃণমূল এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল এলাকায় অশান্তি তৈরি করছে। ব্যবসায়ী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অথচ পুলিশ একেবারে নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন
Live Score