বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কালনায় তৃণমূলের দলীয় অফিসে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ
কালনায় তৃণমূলের দলীয় অফিসে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ
কালনায় তৃণমূলের দলীয় অফিসে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ

কালনায় তৃণমূলের দলীয় অফিসে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ

  • বিডিও দেবকুমার উপাধ্যায় বলেন, ‘‌সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়া ভিডিয়োটি দেখেই সেখানে গিয়েছিলাম। এলাকার অনেকেই অভিযোগ জানিয়েছেন যে, সেখানে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরি করা হচ্ছিল। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। ঘটনার তদন্ত করে দেখবে পুলিশ।’‌

একে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরি হচ্ছে। তাও আবার তৃণমূলের পার্টি অফিসে বসে! এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল কালনার তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার শাসপুর খেলার মাঠ সংলগ্ন তৃণমূলের ছাত্র-যুবর দলীয় দফতরে।

এই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো নেট মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি ‘‌হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা’‌। ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা এলাকায়। তড়িঘড়ি কালনা ২ ব্লকের প্রশাসনের তরফে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

 

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি ঘরের মধ্যে নানা ধরনের যন্ত্রপাতি বসিয়ে আধার কার্ড তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। আর যাদের আধার কার্ড তৈরি হচ্ছে, তাঁদের কাছে থেকে মাথাপিছু ৫০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসতেই, তৃণমূলের ওই অফিসে অভিযান চালান কালনা মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার, কালনা ২ বিডিও দেবকুমার উপাধ্যায় ও কালনা থানার ওসি রাকেশ সিংহ।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, যখন তাঁরা সেখানে গিয়ে পৌঁছন, তখন ওই দফতর বন্ধ ছিল। তবে এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা আধিকারিকদের কাছে যেভাবে আধার কার্ড তৈরি হচ্ছিল, তা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।

বিডিও দেবকুমার উপাধ্যায় বলেন, ‘‌সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়া ভিডিয়োটি দেখেই সেখানে গিয়েছিলাম। এলাকার অনেকেই অভিযোগ জানিয়েছেন যে, সেখানে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরি করা হচ্ছিল। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। ঘটনার তদন্ত করে দেখবে পুলিশ।’‌

স্থানীয় তৃণমূল নেতা সুব্রত দাসের অবশ্য দাবি, সেখানকার একটি সাইবার ক্যাফেতে টাকা নিয়ে আধার কার্ড তৈরি করা হচ্ছিল। ওই সাইবার ক্যাফের কর্মীদের কাছে কয়েকজন দরিদ্র মানুষ বিনা পয়সায় কার্ড করিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। সেই কাজের জন্যই ওই অফিসে জায়গা দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা এই কাজ করতে যে, টাকা নেবেন সেটা ভাবিনি। অবশ্য টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন সাইবার ক্যাফের কর্মীরা।

 

বন্ধ করুন