বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > জেলা পরিষদের জমি 'দখল' করে তৃণমূল বিধায়কের অফিস, বিতর্ক তুঙ্গে
রাজগঞ্জে তৃণমূল বিধায়কের এই কার্যালয়কে ঘিরেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক (ফেসবুক)
রাজগঞ্জে তৃণমূল বিধায়কের এই কার্যালয়কে ঘিরেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক (ফেসবুক)

জেলা পরিষদের জমি 'দখল' করে তৃণমূল বিধায়কের অফিস, বিতর্ক তুঙ্গে

  • কংগ্রেসের রাজগঞ্জ ব্লক সভাপতি দেবব্রত নাগ জানিয়েছেন, ‘বহু বছর ধরেই আমরা জেনে এসেছি এটি ডাকবাংলো জেলা পরিষদের জায়গা। মহেন্দ্র কুমার রায় সাংসদ থাকাকালীন এখানে মার্কেট কমপ্লেক্স করার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দও করা হয়েছিল।

আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূল নেতৃত্ব দল বেঁধে এনিয়ে নালিশ জানিয়ে এসেছিলেন জেলা প্রশাসনের কাছে। এবার সেই শাসকদলের বিধায়কের বিরুদ্ধে উঠেছে জমি দখল করে অফিস তৈরির অভিযোগ। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল করে জনসংযোগ কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠেছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই অভিযোগ তুলেছেন। কংগ্রেসের রাজগঞ্জ ব্লক সভাপতি দেবব্রত নাগ জানিয়েছেন, ‘বহু বছর ধরেই আমরা জেনে এসেছি এটি ডাকবাংলো জেলা পরিষদের জায়গা। মহেন্দ্র কুমার রায় সাংসদ থাকাকালীন এখানে মার্কেট কমপ্লেক্স করার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দও করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে মার্কেট কমপ্লেক্স হয়নি। বর্তমান শাসকদল সেই জায়গা দখল করে কার্যালয় তৈরি করেছে। এব্যাপারে জেলা পরিষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’ 

এদিকে রবিবারই বিধায়ক ঘটা করে এই অফিসের উদ্বোধন করেন। ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেস ও সুখানি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সহযোগিতায় রাজগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এলাকায় পাকা রাস্তার ধারে এই জনসংযোগ কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে। দলীয় প্রতীক, নেতা নেত্রীর ছবিও রয়েছে কার্যালয়ে। এদিকে জমি বিতর্ক প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, ‘জমিটি জেলা পরিষদের বা পূর্ত দফতরের নয়। এটি বেসরকারি মালিকানাধীন। তবে জেলা পরিষদ জানালে কার্যালয় ভেঙে দেওয়া হবে।’ আর জেলা পরিষদের  সভাধিপতি বলেন, ‘আমাদের ধারণা জেলা পরিষদের জমিতেই এটি হয়েছে। তবু খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বন্ধ করুন