বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্লাবিত এলাকা, বিশ্বকর্মা পুজো সেরে ফেরার পথে স্রোতে ভেসে মৃত্যু পুরোহিতের
প্লাবিত এলাকা, বিশ্বকর্মা পুজো সেরে ফেরার পথে স্রোতে ভেসে মৃত্যু পুরোহিতের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)
প্লাবিত এলাকা, বিশ্বকর্মা পুজো সেরে ফেরার পথে স্রোতে ভেসে মৃত্যু পুরোহিতের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য এএনআই)

প্লাবিত এলাকা, বিশ্বকর্মা পুজো সেরে ফেরার পথে স্রোতে ভেসে মৃত্যু পুরোহিতের

  • স্ত্রী ও ছেলের মাঝখানে হাঁটছিলেন বৃদ্ধ পুরোহিত। শীলাবতী নদীর বাঁধের ধারে রাস্তায় আসতেই স্ত্রী-ছেলের চোখের সামনে ভেসে গেলেন বৃদ্ধ পুরোহিত।

স্ত্রী-ছেলের চোখের সামনে জলের স্রোতে তলিয়ে মৃত্যু হল বৃদ্ধ পুরোহিতের। শুক্রবার বিকেলে বিশ্বকর্মা পুজো সেরে বাড়ি ফেরার পথে জলের স্রোতে তলিয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম দিলীপ হোড় (৭৫)। দিলীপ ঘাটাল ১০ নম্বর ওয়ার্ডের গড় প্রতাপনগরের বাসিন্দা ছিলেন। ঘাটালের বিদ্যুৎ দফতরের বিশ্বকর্মা পুজো করেন দিলীপ। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বিদ্যুৎ দফতর থেকে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন দিলীপ। 

তাঁরা যেই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, বন্যা পরিস্থিতির কবলে পড়ে ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় জল জমে ছিল। দিলীপের ছেলে রাজকুমার জানিয়েছেন, প্রত্যেকের মধ্যে এক হাত করে দূরত্ব ছিল। জলের মধ্যে কিছুটা এগোতেই বাবার সারা শব্দ না পেয়ে পিছনে ফিরে তাকাতেই তিনি দেখেন, জলের স্রোতে ভেসে যাচ্ছেন দিলীপ। গলা পর্যন্ত জল ঠেলে তাঁর দিকে এগোতে থাকেন রাজকুমার। কোনওমতে বাবার নাগাল পান তিনি। জলের মধ্যে দিয়ে তাঁকে টেনে নিয়ে উঁচু জায়গায় তোলেন রাজকুমার। ততক্ষণে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন দিলীপবাবু। তারপর তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় স্থানীয়দের সাহায্য ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। রাজকুমারের আক্ষেপ, 'অনেক চেষ্টা করেও বাবাকে বাঁচাতে পারলাম না।'

বন্ধ করুন