বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > উপাচার্যের 'বাবা-মা কেমন' মন্তব্য, ইস্তফা বিশ্বভারতীর একাধিক বিভাগীয় প্রধানের
 (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)
 (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

উপাচার্যের 'বাবা-মা কেমন' মন্তব্য, ইস্তফা বিশ্বভারতীর একাধিক বিভাগীয় প্রধানের

সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি অনেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধানরাই। সেই জন্যই তাঁরা ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর ব্যবহারে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন অনেক অধ্যাপকরাই। এবারে উপাচার্যের আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে ইস্তফা দেওয়ার পথে হাঁটলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিভাগীয় প্রধান।

‌সম্প্রতি শিক্ষাভবনের রসায়ন বিভাগে বেশ কিছু জিনিস চুরি যায়। চুরির ঘটনার পর উপাচার্য নিজে শিক্ষাভবন ঘুরে যান। এরপরই কর্তৃপক্ষের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়, এবার থেকে অধ্যাপক ও ছাত্রছাত্রীরা যখন ঢুকবেন, তখন অধ্যক্ষের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি দিলে তবেই ঢুকতে পারবেন। প্রত্যেকদিন কারা শিক্ষাভবনে ঢুকছেন, তাঁর একটি তালিকা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে। এটা অধ্যক্ষকে করতে হবে। সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি অনেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধানরাই। সেই জন্যই তাঁরা ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। শিক্ষাভবনের অধ্যক্ষ ও অন্তত ১০ জন বিভাগীয় প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন বলে খবর।

ইতিমধ্যে প্রত্যেক বিভাগীয় প্রধানের চিঠি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাচ্ছে বলে খবর। তবে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ‌গত ৮ জুন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বলেছিলেন, 'অধ্যাপকরা তো মোটা মাইনে নেন আর আমায় গালাগাল করেন। তাঁদের দেখে বোঝা যায়, তাঁরা কী ধরনের মানুষ। সাধারণত মা-বাবার থেকে মানুষ শিক্ষা পায়। তাঁদের আচরণ দেখলে বোঝা যায়, মা-বাবা ওই অধ্যাপকদের কেমন শিক্ষা দিয়েছেন।' শিক্ষকদের এই ধরনের অপমানজনক মন্তব্য করার প্রতিবাদ করায় পদার্থবিজ্ঞানের এক অধ্যাপককে বৈঠক ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন উপাচার্য।

বন্ধ করুন