বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Anubrata Mondal: অনুব্রতর দুটি মোবাইল যাবে ফরেনসিক ল্যাবে, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ
অনুব্রত মণ্ডল। (ছবি, সৌজন্যে এএনআই)

Anubrata Mondal: অনুব্রতর দুটি মোবাইল যাবে ফরেনসিক ল্যাবে, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ

  • তাঁর অভিযোগ, হ্যাশভ্যালু বা ডিজিটাল লক না করেই দুটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে নিজেদের কাছে রেখেছে সিবিআই। আর তা সাতদিন পর জানানো হয়েছে আদালতে। এই সাতদিন কোথায় ছিল মোবাইল ফোন? কীভাবে ছিল মোবাইল ফোন? প্রশ্ন আইনজীবীর। তিনি আবার মোবাইল ফোন টেম্পারিংয়েরও আশঙ্কা করেছেন।

গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলকে। সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া দুটি মোবাইল হায়দরাবাদের সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবে (সিএফএসএল) পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। অভিযোগ, বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ম মেনে হয়নি। আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী অনির্বাণ গুহঠাকুরতা। তাঁর অভিযোগ, হ্যাশভ্যালু বা ডিজিটাল লক না করেই দুটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে নিজেদের কাছে রেখেছে সিবিআই। আর তা সাতদিন পর জানানো হয়েছে আদালতে। এই সাতদিন কোথায় ছিল মোবাইল ফোন? কীভাবে ছিল মোবাইল ফোন? প্রশ্ন আইনজীবীর। তিনি আবার মোবাইল ফোন টেম্পারিংয়েরও আশঙ্কা করেছেন। এমনকী প্রয়োজনে মোবাইলগুলি সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোরও দাবি তুলেছেন তিনি।

ঠিক কী বক্তব্য অনুব্রতর আইনজীবীর?‌ এই মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা এবং সাতদিন পর আদালতকে জানানো নিয়ে অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, ‘‌আমাদের আশঙ্কা মোবাইল ফোন টেম্পার হয়ে থাকতে পারে। এই মোবাইল ফোনকে আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে। সিবিআই আইন মানছেন না। তাদেরই ম্যানুয়েলে এই পদ্ধতির কথা উল্লেখ আছে। তাই আদালতে বিচারকের সামনে মোবাইল ফোন জমা করুক সিবিআই। আদালতেই বিচারকের সামনে ডিজিটাল লক করে পাঠানো হোক ফরেনসিক ল্যাবে।’‌

কী উত্তর দিয়েছে সিবিআই?‌ অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীর তোলা প্রশ্নের জবাবে সিবিআইয়ের আইনজীবী রাকেশ কুমার এবং তদন্তকারী অফিসার সুশান্ত ভট্টাচার্য জানান, দুটি মোবাইলই নিজাম প্যালেসে আছে। অনুব্রতর উপস্থিতিতে মোবাইল ফোন দুটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তবে সওয়াল–জবাব শেষে বিচারক ফোন দুটি সিএফএসএলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আর সায়গল হোসেনের জামিন নাকচ করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সওয়াল–জবাবে বিচারক কী বলেছেন? এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে‌ বিচারক অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীকে বলেন, ‘‌আপনিই বলুন কোন নিরপেক্ষ এজেন্সির ফরেনসিক ল্যাবে মোবাইল ফোন পাঠানো যেতে পারে।’‌ আইনজীবি অনির্বাণ গুহঠাকুরতা বলেন, ‘‌সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হোক।’‌ সূত্রের খবর, বিচারক নিজেই বলেন, ‘‌সে তো আমি আন্দামানের পুলিশের কাছেও ল্যাবে পাঠাতে পারি।’‌ এরপর মোবাইল ফোন দুটি সিএফএসএল অর্থাৎ সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এমনকী গত ১৮ অগস্ট থেকে আজ পর্যন্ত ওই দুটি ফোনে কোনও ট্যাম্পার হয়েছে কিনা তার রিপোর্টও আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

বন্ধ করুন