বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Anubrata Mondal: হঠাৎ বুকে ব্যথা শুরু অনুব্রত মণ্ডলের, তড়িঘড়ি আনা হল জেলা হাসপাতালে

Anubrata Mondal: হঠাৎ বুকে ব্যথা শুরু অনুব্রত মণ্ডলের, তড়িঘড়ি আনা হল জেলা হাসপাতালে

অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনুব্রত। (ANI Photo) (Utpal Sarkar)

অনুব্রত মণ্ডলের ইসিজি করানো হবে। একজন চিকিৎসক, একজন অ্যাটেনডেন্ট রয়েছেন। আসানসোল জেলা হাসপাতালের পক্ষ থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০০ দিন পার হয়েছে তিনি জেলে রয়েছেন। এখানেই তাঁর অন্ততপক্ষে ১০ কেজি ওজন কমেছে। গত রাতে হালকা বুকে ব্যথা অনুভব করেন অনুব্রত। 

এবার গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে নয়াদিল্লি নিয়ে যেতে তৎপর হয়েছে ইডি। দু’‌দিন আগে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডির অফিসাররা। জেলে গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আজ, রবিবার আসানসোল জেল সূত্রে খবর, আজ সকালে জেলের মধ্যেই বুকে ব্যথা অনুভব করেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি। তড়িঘড়ি অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বারবার তদন্তকারী সংস্থার জেরার মধ্যেই জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনুব্রত।

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ ইডি জেরা করার পর তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। যদিও অনুব্রত মণ্ডল অ্যারেস্ট মেমো–তে সই করেননি। তার মধ্যেই আবার সিবিআইয়ের জেরার মুখে পড়লেন অনুব্রত মণ্ডল। শনিবার বিকেলে ৫টা নাগাদ দুই তদন্তকারী অফিসার আসানসোল সংশোধনাগারে আসেন। তারপরেই সংশোধনাগারের ভিতর থেকে সুপারের রুমে আনা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তাঁকে আধঘন্টা জেরা করা হয়। সূত্রের খবর, গরু পাচারের তদন্তে একাধিক সার্চ ওয়ারেন্ট ইস্যু করিয়েছে সিবিআই। তা নিয়েই অনুব্রতকে এদিন জেরা করা হয়। তদন্তে এবার আরও গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কী জানা যাচ্ছে সংশোধনাগার থেকে?‌ আসানসোল জেল সূত্রে খবর, এই পর পর জেরার পরই হালকা বুকে ব্যথা অনুভব করছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। জেলেই তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রাথমিক বন্দোবস্ত প্রথম থেকেই রাখা হয়েছিল। অক্সিজেন সাপোর্ট–সহ নানা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। কিন্তু তাতে তেমন কোনও কাজ দেয়নি। তাই তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বেলা ১১টার পরে তাঁকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেই হাসপাতালে ঢোকেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকেত বিধ্বস্ত লাগছিল।

কী চিকিৎসা করা হবে কেষ্টর?‌ সূত্রের খবর. অনুব্রত মণ্ডলের ইসিজি করানো হবে। একজন চিকিৎসক, একজন অ্যাটেনডেন্ট রয়েছেন। আসানসোল জেলা হাসপাতালের পক্ষ থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০০ দিন পার হয়েছে তিনি জেলে রয়েছেন। এখানেই তাঁর অন্ততপক্ষে ১০ কেজি ওজন কমেছে। গত রাতে হালকা বুকে ব্যথা অনুভব করেন অনুব্রত। সেটাই আজ বাড়াবাড়ির পর্যায়ে যায়।

বন্ধ করুন