বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > দাপাদাপি করোনার, ফাঁকা দিঘার সমুদ্রতট, বাড়ি ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি পর্যটকদের
ফাঁকা দিঘা।

দাপাদাপি করোনার, ফাঁকা দিঘার সমুদ্রতট, বাড়ি ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি পর্যটকদের

  • বিধিনিষেধ ঘোষণা হওয়ার পরেই রবিবারে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে কড়া নির্দেশ জারি করে।

আজ সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। আর তা জারি হতেই দিঘা, মন্দারমনি, তাজপুর,বকখালির মত পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে চোখে পড়ল জনমানবশূন্য ছবি।

বিধিনিষেধ ঘোষণা হওয়ার পরেই রবিবারে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে কড়া নির্দেশ জারি করে। রাত পর্যন্ত পর্যটনকেন্দ্রগুলি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য মাইকিং করে প্রচার চালিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। আজও এই সমস্ত পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পুলিশকে প্রচার চালাতে দেখা গিয়েছে। এরপরেই বাড়ি ফেরার জন্য পর্যটকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। বিধি নিষেধ ঘোষণার পরে আতঙ্কে পর্যটকরা হোটেল ছেড়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আসেন। তবে যে সমস্ত পর্যটকদের গাড়ি রয়েছে তাঁদের বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে সমস্যা না হলেও সমস্যা দেখা দিয়েছে অন্যান্য পর্যটকদের ক্ষেত্রে। বাস বা ট্রেন পেতে গিয়ে কার্যত হয়রানি হতে হয়েছে বহু পর্যটককে।

রবিবার রাতে বাড়ি ফেরার জন্য দিঘা বাস স্ট্যান্ডে দেখা গিয়েছে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। শুধু তাই নয়, সেই সুযোগে বাসগুলিতে ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন পর্যটকদের একাংশ। তাঁদের অনেকেরই বক্তব্য, বিভিন্ন বাসে দ্বিগুণ ভাড়া নিয়েছে। ১৫০ টাকার টিকিট সাড়ে ৩০০ টাকায় কিনে বাড়ি ফিরতে হয়েছে। রেল স্টেশনেও দেখা গিয়েছে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।

এরই মধ্যে ব্যবসায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন হোটেল মালিকরা। তাঁদের বক্তব্য, সবেমাত্র স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছিল ব্যবসা। হোটেল বুকিং জানুয়ারিতে বেড়েছিল। আবার বিধিনিষেধ জারি হওয়ায় একে একে বুকিং বাতিল করছেন পর্যটকরা। ফলে ব্যবসায় চরম ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য।

বন্ধ করুন