বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ঘরের দুয়ারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ক্যাম্পে নয়, বাড়ি বাড়ি ফর্ম দিচ্ছেন আশাকর্মীরা
নদিয়ায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম তুলতে এভাবেই মহিলাদের ভিড় দেখা গিয়েছিল। ফাইল ছবি (PTI)
নদিয়ায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম তুলতে এভাবেই মহিলাদের ভিড় দেখা গিয়েছিল। ফাইল ছবি (PTI)

ঘরের দুয়ারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ক্যাম্পে নয়, বাড়ি বাড়ি ফর্ম দিচ্ছেন আশাকর্মীরা

  • দুয়ারে সরকারের প্রতিটি ক্যাম্পেই একেবারে উপচে পড়া ভিড়।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম তোলার জন্য একেবারে হুড়োহুড়ি ভিড় রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেই। দুয়ারে সরকারের প্রতিটি ক্যাম্পেই একেবারে উপচে পড়া ভিড়। যাবতীয় করোনা বিধিকে উড়িয়ে দিয়ে প্রতিটি ক্যাম্পেই দীর্ঘ লাইন। তবে এবার কিছুটা হলেও অন্য পথে হেঁটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। বাড়িতেই ফর্ম পৌঁছে দিচ্ছেন আশাকর্মীরা। এতে অত্যন্ত খুশি বাড়ির মহিলারা। লাইনে অনন্তকাল অপেক্ষাও করতে হচ্ছে না তাঁদের। 

প্রশাসন সূত্রে খবর পূর্ব মেদিনীপুরের ২৫টি ব্লকে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প শুরুর নির্দিষ্ট দিনের আগেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশাকর্মীরা বাড়ি বয়ে এসে এই ফর্ম দিয়ে যাচ্ছেন। তবে ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু সেই আগের নিয়মই বলবৎ থাকছে। অর্থ্যাৎ এক্ষেত্রে ক্য়াম্পে গিয়েই ফর্ম জমা দিতে হবে। তবে বাড়িতে বসেই ফর্ম পাওয়া কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন বাসিন্দারা।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন অত লাইনে দাঁড়ানো সম্ভব ছিল না। তবে নতুন ব্যবস্থায় অনেকেরই সুবিধা হবে। নন্দকুমারের বাসিন্দা রেবতী ভুইয়াঁ বলেন, বাড়িতে ফর্ম পেয়ে আমরা খুব খুশি। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে ভিড় এড়ানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফর্ম পূরণের জন্য আশা কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাঁরাও ফর্ম পূরণে সহায়তা করবেন। 

তবে গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে বিজেপি নেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এসব আইওয়াশ ছাড়া কিছু নয়। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে ফর্ম নর্দমার ধারে পড়েছিল। এবারের ক্ষেত্রেও মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে।’ অন্যদিকে সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেন, ‘বিজেপিও ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের ফর্মের নাম করে বাড়ি বাড়ি কাগজ দিয়েছিল। কিন্তু মানুষ তাতে কিছু পায়নি। ’

 

বন্ধ করুন