বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > মন্ত্রিত্ব হারিয়ে সংগঠনের দায়িত্বে বাবুল-দেবশ্রী? দিলীপের দিল্লি সফর ঘিরে জল্পনা
দেবশ্রী চৌধুরী এবং বাবুল সুপ্রিয়
দেবশ্রী চৌধুরী এবং বাবুল সুপ্রিয়

মন্ত্রিত্ব হারিয়ে সংগঠনের দায়িত্বে বাবুল-দেবশ্রী? দিলীপের দিল্লি সফর ঘিরে জল্পনা

  • রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে তলব করা হয়েছে দিল্লিতে। আজ দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার সঙ্গে দেখা করবেন দিলীপবাবু।

বাংলা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন ৪ সাংসদ। তবে সেই সঙ্গে মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয় এবং দেবশ্রী চৌধুরী। মন্ত্রিত্ব হারানো নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েছেন বাবুল। পরে অবশ্য পোস্টের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে বিতর্ক ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বাবুল সুপ্রিয়। অন্যদিকে মন্ত্রিত্ব খোয়ানো নিয়ে 'স্পিক টি নট' দেবশ্রী চৌধুরীর। এরই মাঝে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে তড়িঘড়ি তলব করা হয় দিল্লিতে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার সঙ্গে দেখা করবেন দিলীপবাবু। আর এই সফর ঘিরেই জল্পনা তুঙ্গে বিজেপির অন্দরে। তবে কি বড়সড় সাংগঠনিক রদবদল হতে চলেছে বিজেপির রাজ্য কাঠামোতে? সংগঠনে গুরুত্ব বাড়তে চলেছে বাবুল ও দেবশ্রীর।

দিলীপ ঘোষকে কেন জরুরি তলব করা হল তা নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক স্তরে বড় ধরনের পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের জন্যই দিলীপ ঘোষকে তলব করা হয়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের দাবি, বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁদের সাংগঠনিক কাজে লাগানো হতে পারে। তার জন্যই দিল্লিতে দিলীপ ঘোষকে ডাকা হয়েছে। আরও একটি সূত্র বলছে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে রাজ্যের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বৈঠক করবেন দিলীপ ঘোষ।

উল্লেখ্য, দেবশ্রী চৌধুরী এর আগে দীর্ঘদিন সংগঠনের দায়িত্ব সামলেছেন। আরএসএস-এর কাজ করার পাশাপাশি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন। তবে বাবুল সুপ্রিয় সাংগঠনিক দিক দিয়ে কতটা পটু, তা জানা নেই। তবে ২০১৪ সাল থেকে দলীয় ভাবে সক্রিয় থেকেছেন বাবুল। বাবুল-দেবশ্রীদের সংগঠনে দায়িত্ব বাড়া প্রসঙ্গে দিলীপবাবু নিজে বলেছেন, 'বিজেপিতে এটাই নিয়ম। কখনও প্রশাসনিক কাজে লাগানো হয়, কখনও সাংগঠনিক কাজে।'

উল্লেখ্য, নির্বাচনের ফলাফলের পর নানা বিষয় নিয়ে দলের অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের আগে তৃণমূল নেতারা ঝাঁকে ঝাঁকে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তালিকায় একাধিক বিধায়ক ছিলেন। প্রত্যেকের মুখেই শোনা যায় তৃণমূলে থেকে কাজ না করতে পারার সুর। বিজেপির নেতাদের মুখে তখন একটাই কথা, ২০০ পার করবে বিজেপি। তবে ফল বের হতেই চিত্র বদলায়। বিজেপির ঝুলিতে ১০০ আসনও আসে না। অপরদিকে দল বদলু নেতাদের অধিকাংশদের গলায় শোনা যায় তৃণমূলের প্রশংসা।

বন্ধ করুন