বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > আদিবাসী সংগঠনের চাপের মুখে বাঁকুড়ায় বিরসা মুন্ডার মূর্তি বসানোর উদ্যোগ
বাঁকুড়ায় মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদনের পর অমিত শাহ।  (PTI)
বাঁকুড়ায় মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদনের পর অমিত শাহ।  (PTI)

আদিবাসী সংগঠনের চাপের মুখে বাঁকুড়ায় বিরসা মুন্ডার মূর্তি বসানোর উদ্যোগ

  • সোমবার তাদের সদস্যদের নিয়ে পুয়াবাগান মোড়ে জমি চিহ্নিত করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি শ্যামল সাঁতরা ও জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু।

বাঁকুড়ার পুয়াবাগান মোড়ে বসবে বিরসা মুন্ডার মূর্তি। আদিবাসী সমাজের চাপের মুখে অবশেষে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল স্থানীয় তৃণমূল। ডিসেম্বরেই সেখানে বিরসা মুন্ডার পূর্ণাবয়ব মূর্তি বসবে বলে ঘোষণা করে জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু। 

গত ৫ নভেম্বর দক্ষিণবঙ্গ সফরের শুরুতেই বাঁকুড়া শহর লাগোয়া পুয়াবাগান মোড়ে এক আদিবাসীর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে মালা দেবেন তিনি। কিন্তু পরে একাধিক আদিবাসী সংগঠন দাবি করে মূর্তিটি বিরসা মুন্ডার নয়। এর পরই তৃণমূল – বিজেপির মধ্যে শুরু হয় তরজা। 

এর পরই সেখানে বিরসা মুন্ডার মূর্তি বসাতে উদ্যোগী হয় আদিবাসী সংগঠনগুলি। সোমবার তাদের সদস্যদের নিয়ে পুয়াবাগান মোড়ে জমি চিহ্নিত করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি শ্যামল সাঁতরা ও জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু। 

মৃত্যুঞ্জয়বাবু জানান, ‘মূর্তি বসানোর জন্য জমি চিহ্নিত হয়েছে। আদিবাসী শিকারির মূর্তির পাশেই বসবে বিরসা মুন্ডার মূর্তি। আদিবাসী সংগঠনগুলি চাঁদা তুলে মূর্তি বসাবে।’

মূর্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিপদে পড়ে তৃণমূল। বিজেপির দাবি, পুয়াবাগান মোড়ে বিরসা মুন্ডারই মূর্তি ছিল। সেটিকে সরিয়ে সৌন্দর্যায়নের জন্য এই মূর্তিটি বসিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ।

 

বন্ধ করুন