বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > স্থানীয়ভাবে কোথায় করোনার দাপট বেশি,কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করার নির্দেশ রাজ্যের
স্থানীয়ভাবে কোথায় করোনার দাপট বেশি,কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করার নির্দেশ রাজ্যের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
স্থানীয়ভাবে কোথায় করোনার দাপট বেশি,কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করার নির্দেশ রাজ্যের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

স্থানীয়ভাবে কোথায় করোনার দাপট বেশি,কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করার নির্দেশ রাজ্যের

মুখ্যসচিব তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে কোথায় কোথায় হটস্পট হচ্ছে, তা খুঁজে বের করতে হবে।কনটেনমেন্ট জোন বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন করে নজরদারি চালাতে হবে।

করোনাকে রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য। কনটেনমেন্ট জোন, প্রয়োজনে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন করে কড়া হাতে করোনা মোকাবিলায় জোর দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। এই বিষয়ে মঙ্গলবার রাজ্যের সব জেলাশাসক ও কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।

মুখ্যসচিব তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে কোথায় কোথায় হটস্পট হচ্ছে, তা খুঁজে বের করতে হবে।কনটেনমেন্ট জোন বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন করে নজরদারি চালাতে হবে। সেই সঙ্গে ওই সব সন্দেহজনক এলাকায় করোনা পরীক্ষা, ট্রেসিংয়ের কাজও খুব তাড়াতাড়ি করতে হবে। তবে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমিয়ে আনা সম্ভব। মুখ্যসচিব তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সংক্রমণ কম হলেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সমস্ত জেলাগুলিকে কনটেনমেন্ট জোন খুঁজে বের করতে হবে।

আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধ চলবেই। তবে ১৬ জুন থেকে আরও কিছুটা ছাড় দেও্য়া হলেও এখনও রাজ্যের তরফে ট্রেন, বাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আগের মতো স্টাফ স্পেশাল ট্রেন চালু থাকবে। সেইসঙ্গে খুচরো বাজার ও অন্যান্য দোকান খুলে রাখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে রেস্তোরাঁ ও পানশালা খুলে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে শুধু কড়া বিধি নিষেধ জারি করলেই যে রাজ্যে করোনা সংক্রমণের হার কমবে না, সেকথা বিলক্ষণ জানে রাজ্য সরকার। তাই রাজ্যে যাতে করোনার তৃতীয় ঢেউ থাবা বসাতে না পারে, সেজন্য আগাম সতর্কতা নেওয়ার ওপর জোর দিল নবান্ন।

বন্ধ করুন