বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > নবম-‌দশমের পড়ুয়াদের হোমওয়ার্কেই মূল্যায়ন, কাজ লাগবে পরেও, ভাবনা রাজ্যের
নবম-‌দশমের পড়ুয়াদের হোমওয়ার্কেই মূল্যায়নের মাপকাঠি, ভাবনা শিক্ষা দফতরের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
নবম-‌দশমের পড়ুয়াদের হোমওয়ার্কেই মূল্যায়নের মাপকাঠি, ভাবনা শিক্ষা দফতরের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

নবম-‌দশমের পড়ুয়াদের হোমওয়ার্কেই মূল্যায়ন, কাজ লাগবে পরেও, ভাবনা রাজ্যের

মিড ডে মিল নিতে আসা অভিবাবকদের হাতেই পড়ুয়াদের জন্য হোমওয়ার্ক পাঠানো হবে।

রাজ্যে স্কুল প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। বাড়িতে বসেই অনলাইন ক্লাস করছে পড়ুয়ারা। তবে বাড়ির পরিবেশে কতটা পড়াশোনা রপ্ত করতে পারছে তারা, তার সঠিক মূল্যায়ন করতে পারছেন না শিক্ষক-শিক্ষিকারা।এই পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে কীভাবে পড়ুয়াদের মূল্যায়ন করা যায়, সেই নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য শিক্ষা দফতর।

সেটা কীভাবে সম্ভব? তারও একটা সমাধান সূত্র বার করেছে শিক্ষা দফতর। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, যতদিন পর্যন্ত স্কুল সম্পূর্ণ চালু না হচ্ছে, ততদিন নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের হোমওয়ার্কের ভিত্তিতে মূল্যায়ন চালু করার কথা চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা দফতর। সেক্ষেত্রে গৃহবন্দি পড়ুয়াদের কাছে হোমওয়ার্ক পৌঁছানোর পদ্ধতিও বের করেছে দফতর। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, মিড ডে মিল নিতে আসা অভিভাবকদের হাতেই পড়ুয়াদের জন্য হোমওয়ার্ক পাঠানো হবে। সেই হোমওয়ার্ক নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ করে পুনরায় স্কুলে পাঠাতে হবে পড়ুয়াদের। পড়ুয়াদের মূল্যায়ন করতে তাদের পাঠানো সেই হোমওয়ার্কের মাপকাঠিতেই নম্বর দেবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। 

এতে দু’‌দিক দিয়ে লাভ হবে বলে মনে করছে শিক্ষা দফতর। প্রথমত, পড়ুয়ারা বাড়িতে কতটা পড়াশোনা করছে সেটা যেমন জানা যাবে। দ্বিতীয়ত, আগামী বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে কিনা তাও এখনও অনিশ্চিত। সেক্ষেত্রে এই অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের নম্বর সেই সময় ব্যবহার করা যাবে।

প্রসঙ্গত, আগে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ভয়ঙ্কর না হলে পুজোর ছুটির পরে স্কুল খোলা হবে। সেইমতো প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে শিক্ষা দফতর। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল খোলা হবে।

বন্ধ করুন