বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ২০টি আসনও পাবে না বিজেপি, অমিত শাহকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ জ্যোতিপ্রিয়র
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

২০টি আসনও পাবে না বিজেপি, অমিত শাহকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ জ্যোতিপ্রিয়র

  • বিজেপি রাজ্যে ২০০ কেন, ২০টি আসনও ওরা পাবে না। উত্তর ২৪ পরগনায় শূন্য হয়ে যাবে। তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জ বাজারে এই ভাষাতেই বিজেপি–কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন।

রাজ্য সফররত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করে গিয়েছেন, বাংলা থেকে ২০০টি আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসবেন। এইটা ঠিক তৃণমূল মেনে নিতে পারেনি। তাই তারা এবার পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন। সেই চ্যালেঞ্জের জেরে এখন তপ্ত রাজ্য–রাজনীতি। বিজেপি রাজ্যে ২০০ কেন, ২০টি আসনও ওরা পাবে না। উত্তর ২৪ পরগনায় শূন্য হয়ে যাবে। তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হিঙ্গলগঞ্জের যোগেশগঞ্জ বাজারে এই ভাষাতেই বিজেপি–কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন।

সুন্দরবনের গা ঘেঁষে যোগেশগঞ্জের নেতাজি মাঠে বিশাল জনসভায় বিজেপি থেকে আসা ৫০০ কর্মী–সমর্থকের হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এখানে রাজ্যের আর এক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ, সাংসদ নুসরত জাহান, বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস, দেবেশ মণ্ডল, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ এ কে এম ফারহাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জ্যোতিপ্রিয় এই দাবি করলেও লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে তা প্রাসঙ্গিক নয় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘আমরা রাজ্যের ১০ কোটি ২৮ লক্ষ মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিচ্ছি। কেন্দ্র কী করেছে?‌ ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত রাজ্যের মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাবেন। ২০২১ সালের পর তৃণমূল আবার ক্ষমতায় আসবে। তখন সারা জীবনের জন্য রেশনের ব্যবস্থা হবে। বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেসকে একদিন স্বীকার করতে হবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন ভুল ছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নিয়ে আমরা ভাবছি না। ২০২৪ নিয়ে আমাদের লড়াই। আমরা নরেন্দ্র মোদীকে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে হঠাবই।’‌

মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘দিল্লি থেকে কে তৃণমূলের মৃত্যুঘণ্টা বাজাবে?‌ বাংলার মানুষ এসব মেনে নেবেন না। ২০২১ সালে বাংলায় হবে বিজেপি’‌র অন্তিম যাত্রা।’‌ সাংসদ নুসরত জাহান বলেন, ‘‌বিজেপি শাসিত রাজ্যে মহিলারা নিরাপদ নন। সন্ধ্যের পর মেয়েরা রাস্তায় বেরোতে ভয় পান। মুখ্যমন্ত্রী বাংলাকে সুরক্ষিত রেখেছেন।’‌ বিধায়ক–ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস বলেন, ‘‌গোটা বসিরহাট মহকুমা জুড়ে যে উন্নয়ন হচ্ছে, সেটা মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই হচ্ছে। খেলাধুলার ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী নজর দিয়েছেন। তাঁর দৌলতেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারছে।’

বন্ধ করুন