বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > শিলিগুড়ি পুরনিগম দখলে নতুন প্রজন্মকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে বিজেপি
বিজেপি। প্রতীকী ছবি। (HT_PRINT)
বিজেপি। প্রতীকী ছবি। (HT_PRINT)

শিলিগুড়ি পুরনিগম দখলে নতুন প্রজন্মকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে বিজেপি

  • ৪৭ টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট এই পুরনিগম দখলে মরিয়া বিজেপি। যেনতেন প্রকারে শিলিগুড়ি পুরনিমা গান পদ্ম ফুল ফোটাতে চাইছে বিজেপি।

একুশের কলকাতা পুরভোটে ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপি। বাকি চারটি পুরনিগমের ভোট সামনেই। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল শিলিগুড়ি পুরনিগম। ৪৭ টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট এই পুরনিগম দখলে মরিয়া বিজেপি। যেনতেন প্রকারে শিলিগুড়ি পুরনিমা গান পদ্ম ফুল ফোটাতে চাইছে বিজেপি। এরজন্য তরুণ প্রজন্মের ওপরই বেশি আস্থা রাখতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

এ নিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা কার্যালয়ে জেলার শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের নেতাকর্মীদের। বিজেপির রাজ্য কমিটির সংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী নেতৃত্ব দিয়েছেন এই বৈঠকে। জানা যাচ্ছে, পুরভোটের আগে সেখানে যাতে দলের অন্দরে কোনও রকমের দ্বন্দ্ব তৈরি না হয় তার জন্য সকলকে সমান ভাবে গুরুত্ব দিতে চাইছে দল। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলার সমস্ত স্তরের কমিটি গঠনের ওপর জোর দিতে বলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে এই কমিটি গঠন করে ফেলতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের নির্দেশ কমিটিগুলোতে কমবয়সী যুবক-যুবতীদের রাখতে হবে।

বৈঠক প্রসঙ্গে বিজেপি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী বলেন, ‘ রাজ্য কমিটির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে ১০ জানুয়ারির মধ্যে কমিটিগুলি তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।' তিনি মনে করেন, এবার যদি সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচন হয় তাহলে তৃণমূল বোর্ড দখল করতে পারবে না।

প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ি পুরনিগমের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে বিজেপির দাপট রয়েছে। ৪৭ টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট এই পুরনিগমের ১৪ টি ওয়ার্ড ফুলবাড়ী বিধানসভার অধীনে। এই কেন্দ্র থেকেই তৃণমূল নেতা গৌতম দেবকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন বিজেপির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। ফলে ওই জায়গাগুলোতে বিজেপি কিছুটা হলেও এগিয়ে আছে । এমনটাই মত, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

যদিও জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারপার্সন ও তৃণমূল নেত্রী পাপিয়া পাল বলেন, 'কলকাতা পুরসভা ভোটে বিজেপির যে হাল হয়েছে বাকি পুরসভার গুলোর ক্ষেত্রেও বিজেপির এই একই হাল হবে। বিজেপিকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।'

বন্ধ করুন