বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌সরকারটা তো সবার’‌, বিজেপি নেত্রী এগিয়ে এসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কাজ করছেন
রাজ্য সরকারের কর্মসূচি সফল করার জন্য ক্যাম্প করে বসেছেন বিজেপি নেত্রী!
রাজ্য সরকারের কর্মসূচি সফল করার জন্য ক্যাম্প করে বসেছেন বিজেপি নেত্রী!

‘‌সরকারটা তো সবার’‌, বিজেপি নেত্রী এগিয়ে এসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কাজ করছেন

  • তমলুক পুরসভার ১৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আবেদনপত্র জমা নেওয়া চলছে ঐতিহ্যবাহী তমলুক হ্যামিল্টন হাইস্কুলে।

‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পে দেখা গেল উলটপুরাণ। রাজ্য সরকারের কর্মসূচি সফল করার জন্য ক্যাম্প করে বসেছেন বিজেপি নেত্রী! এমন ঘটনা আগে দেখা যায়নি। এই ঘটনায় শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই বিজেপি নেত্রীর অবশ্য প্রতিক্রিয়া, দুর্নীতি আটকাতেই তাঁর এই উদ্যোগ। কিন্তু যে সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিজেপি নেতাদের মুখে নিন্দা শোনা গিয়েছিল, সেই দলের নেত্রীর এমন আচরণ সবাইকে অবাক করেছে।

এই বিজেপি নেত্রীর নাম জয়া নায়েক। তমলুক পুরসভার ১৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আবেদনপত্র জমা নেওয়া চলছে ঐতিহ্যবাহী তমলুক হ্যামিল্টন হাইস্কুলে। সেখানেই দেখা গেল সরকারি প্রকল্পকে সাহায্য করার জন্য ক্যাম্প করেছেন বিজেপি নেত্রী। এই বিজেপি নেত্রী জয়া দাস নায়েক একুশের নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি আবার তমলুক পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি এই প্রকল্পের জন্য যাঁরা আবেদন করতে এসেছেন তাঁদের সাহায্য করছেন।

কিন্তু কেন এই সাহায্য?‌ বিজেপি নেত্রী জয়া দাস নায়েক বলেন, ‘‌মূলত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কাজ করছি। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসাথী, রেশন কার্ড ডিজিটালাইজেশন, সংশোধনও করছি। সাধারণ মানুষ এসব প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আর সরকারটা তো সবার। সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেওয়াটাই মুখ্য উদ্দেশ্য সবার। তাই আমার ওয়ার্ডে যাতে সবাই পরিষেবা পান, উপকৃত হন সেই চেষ্টাই করছি।’‌

সরকারি প্রকল্প সফল করার জন্য এগিয়ে আসার জন্য জয়া দাস নায়েককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তমলুক শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চঞ্চল কুমার খাড়া। তিনি বলেন, ‘‌বাইরে সমালোচনা করলেও অন্তর থেকে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচি জনমুখী তা মেনে নিয়েছে বিজেপি। তাই তাঁকে ধন্যবাদ।’‌ সিপিআইএমের শাখা অফিসের বাইরে ক্যাম্প করেছে। তাঁরাও সাধারণ মানুষকে সাহায্য করছেন।

বন্ধ করুন