সায়ন্তন বসু। ফাইল ছবি
সায়ন্তন বসু। ফাইল ছবি

'টিকিট না পেলে মারবে তৃণমূল নেতারাই, তাই প্রশান্ত কিশোরকে জেড শ্রেণির নিরাপত্তা'

  • তিনি বলেন, ‘সামনে পৌরসভা নির্বাচন। তৃণমূলের যে নেতারা টিকিট পাবেন না, তারা প্রশান্ত কিশোরকে ব্যাপক মারধর করবে।

তৃণমূলের লোকজনের হাত থেকে বাঁচাতেই প্রশান্ত কিশোরকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সন্দেশখালিতে নিখোঁজ বিজেপিকর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এমনটাই বলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তাঁর দাবি, পুর নির্বাচনে তৃণমূলের যারা টিকিট পাবে না তা প্রশান্ত কিশোরকে বেদম মারবে। সেই আশঙ্কাতেই আগেভাগে তাঁকে নিরাপত্তা দিয়েছে সরকার।

বলে রাখি, মঙ্গলবারই পুর ভোটের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। সব ঠিকঠাক চললে এপ্রিলেই মিটবে ভোটগ্রহণ পর্ব। সম্ভবত ১২ এপ্রিল কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের ভোটগ্রহণ। বাকি পুরসভায় ভোটগ্রহণ হতে পারে ২৭ এপ্রিল। তার আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রশান্ত কিশোরকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিয়েছে রাজ্য সরকার। সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, প্রশান্ত কিশোরের ওপর হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্নও।

বিরোধীদের প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের করের টাকায় কেন নিরাপত্তা দেওয়া হবে তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতাকে। মঙ্গলবার এই নিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘সামনে পৌরসভা নির্বাচন। তৃণমূলের যে নেতারা টিকিট পাবেন না, তারা প্রশান্ত কিশোরকে ব্যাপক মারধর করবে। রাস্তায় ফেলে যেখানে সেখানে মারবে। তাই তাঁকে দিদির রাজ্য সরকার জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিচ্ছে।’

বলে রাখি, পুর নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে তৃণমূলে। সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ একাধিক পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডে প্রার্থী বদলের সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূলের তরফে জানা গিয়েছে, প্রার্থী বাছাইয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে কাজ করছে টিম প্রশান্ত কিশোর। আর দাগী কোনও ব্যক্তিকে প্রার্থী করতে একেবারে নারাজ তারা। নারাজ পারফর্ম্যান্স ভাল নয় এমন কাউন্সিলরদের টিকিট দিতে। এই পরিস্থিতিতে বহু কাউন্সিলরের টিকিট কাটা যেতে পার বলে অনুমান।


বন্ধ করুন