বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সিআইডি দফতরে যাচ্ছেন না অর্জুন সিং, করোনাকে অজুহাত করলেন চিঠিতে
অর্জুন সিং। ফাইল ছবি
অর্জুন সিং। ফাইল ছবি

সিআইডি দফতরে যাচ্ছেন না অর্জুন সিং, করোনাকে অজুহাত করলেন চিঠিতে

  • কয়েকদিন আগেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় তাঁকে নোটিশ পাঠিয়ে তলব করেছিল সিআইডি।

তিনি আগেই বলেছিলেন, আমার রক্ষাকবচ আছে। তাই গ্রেফতার করা যাবে না। মুখে হুঙ্কার দিলেও তিনি গেলেন না ভবানী ভবনে। সাড়া দিলেন না সিআইডির ডাকে। হ্যাঁ, তিনি ব্যারাকপুরের দোর্দণ্ডপ্রতাপ বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। যিনি আজ ভবানী ভবনে যাবেন না। কয়েকদিন আগেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় তাঁকে নোটিশ পাঠিয়ে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু অর্জুনের দাবি, তিনি সোমবারই সিআইডি’‌র তদন্তকারী অফিসারকে জানান, করোনা আবহে ভবানী ভবনে যেতে পারবেন না। যদি ভার্চুয়াল জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে তিনি অংশ নেবেন। এখন প্রশ্ন উঠছে, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই মন্ত্রী ও এক বিধায়ককে কেন জেলে পাঠাতে চাইছে সিবিআই?‌

উল্লেখ্য, সিআইডি জালিয়াতি, প্রতারণার অভিযোগে অর্জুন সিংকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ২৫ মে সকাল ১১টায় ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু মুখে হুঙ্কার দিলেও আজ গেলেন না তিনি। অভিযোগ, ভাটপাড়া পুরসভায় চেয়ারম্যান থাকাকালীন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন অর্জুন সিং। ২০১০–২০১৯ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন অর্জুন সিং। সাড়ে ৪ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্য গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা জগদ্দল মেঘনা মোড়ের মজদুর ভবনে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি পৌঁছে যান। এরপর তাঁর বাড়িতেই নোটিশ সেঁটে দেয় সিআইডি। দুর্নীতির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদকে ডাকা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় নোটিশ দেওয়া হয়েছে অর্জুন সিংয়ের ভাইপোকেও। তাঁকেও ২৫ তারিখ ভবানী ভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। অবৈধভাবে ভাটপাড়া–নৈহাটি সমবায় ব্যাঙ্কের প্রায় ২০ কোটি টাকা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনাতেই নাম জড়িয়ে যায় বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। তাঁর বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকা বেনামি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফারের অভিযোগ ওঠে। আর এই টাকা ছিল আসলে ভাটপাড়া চেয়ারম্যানের রিলিফ ফান্ডের। এই ঘটনায় তল্লাশিও চালানো হয় সাংসদের বাড়িতে। নারদ কাণ্ডে ফিরহাদদের গ্রেফতারির পাল্টা চাপ হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

বন্ধ করুন