বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌চাষের জমিতে ভেড়ি আর প্রকৃত ভেড়ি লুট!’‌, ফেসবুক পোস্টে আক্রমণ দিলীপের
বিজেপির সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

‘‌চাষের জমিতে ভেড়ি আর প্রকৃত ভেড়ি লুট!’‌, ফেসবুক পোস্টে আক্রমণ দিলীপের

  • এখন তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যে জমিতে টাটারা কারখানা করতে চেয়েছিল, সে জমিতে এখন মাছের ভেড়ি তৈরি হচ্ছে। কারখানার বদলে ভেড়ি? তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা।

আগেই সিঙ্গুর নিয়ে মুখ খুলেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী এখন সবাইকে সরষে ফুল দেখাচ্ছেন। এবার কড়া ভাষায় আক্রমণ করে ফেসবুক পোস্ট করলেন তিনি। যা থেকে স্পষ্ট, এবার সিঙ্গুর নিয়ে মাঠে নামতে চাইছে বিজেপি। এখন তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যে জমিতে টাটারা কারখানা করতে চেয়েছিল, সে জমিতে এখন মাছের ভেড়ি তৈরি হচ্ছে। কারখানার বদলে ভেড়ি? তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা।

ঠিক কী লিখেছেন দিলীপ ঘোষ?‌ এদিন ফেসবুকে একটি পোস্ট করে দিলীপ লিখেছেন, ‘‌টাটা, ন্যানো থেকে মাছের ভেড়ি অবধি…সিঙ্গুরে কৃষকদের তিন ফসলি জমির পরিবর্তে এক টুকরো কাগজ আর ইঁট, কংক্রিটের জায়গা ফেরত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যেখানে এখন শুধুই কাশ ফুল জন্মায়। চাষের জমিতে ভেড়ি আর প্রকৃত ভেড়ি লুট! যে মানুষগুলি তাঁকে ভরসা করেছিলেন, তাঁদেরকে আর কত বোকা বানাবেন দিদিমণি?‌’‌

এখানেই শেষ নয়, এই ফেসবুক পোস্টের সঙ্গে একটি ছবি তুলে ধরেছেন। যেখানে ২০০৮ সালের সিঙ্গুর আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০১৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গুর যাত্রা এবং ২০২২ সালে মাছের ভেড়ির জন্য জমিকাটার ছবি কোলাজ করা হয়েছে। অর্থাৎ, তিনি বোঝাতে চেয়েছেন সিঙ্গুরের জমি নিয়ে রাজ্য সরকার রাজনীতি করেছে। কৃষকদের কোনও লাভ হয়নি।

আর প্রশাসন সূত্রে খবর, যে কৃষকদের তিন বিঘার উপর জমি আছে, তাঁরা আবেদন করলে মাছ চাষের জন্য সমস্ত সুবিধা দেওয়া হবে। এমনকী জেলার অ্যাগ্রো ইরিগেশন দফতরের উদ্যোগে একটি কমিটিও গঠন করা হবে চাষীদের নিয়ে। আবার জল ধরো, জল ভরো প্রকল্পও সমান্তরালভাবে চলবে। তার প্রেক্ষিতেই এই ফেসবুক পোস্ট দিলীপ ঘোষের বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে সিঙ্গুরে গিয়ে অবস্থান–ধর্ণা দিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা।

বন্ধ করুন