বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Dilip Ghosh: ‘‌বাস–ট্রেন জ্বালিয়ে বিজেপি রাজনীতি করবে না’‌, শুভেন্দুকে পাল্টা জবাব দিলীপের

Dilip Ghosh: ‘‌বাস–ট্রেন জ্বালিয়ে বিজেপি রাজনীতি করবে না’‌, শুভেন্দুকে পাল্টা জবাব দিলীপের

বিজেপির সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি তথা মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ

একুশের নির্বাচনের পরে একের পর এক নির্বাচনে গোহারা হয়েছে বিজেপি। আর মানুষ আস্থা রেখেছেন মমতার উপর। শুভেন্দুর মন্তব্য প্রকাশ্যে চলে আসে। আর তা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির। আড়াআড়িভাবে আবার ভাগ হয়ে গেল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। যা বিরোধী নেত্রী থাকতে করেছিলেন এখনের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দুর্গাপুরে বিজেপির কর্মসমিতির বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনের পথেই হাঁটার নিদান দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাস্তায় নেমে তুমুল আন্দোলন করার কথা বলেছিলেন। যা বিরোধী নেত্রী থাকতে করেছিলেন এখনের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সে পথে বিজেপি হাঁটবে না বলে পাল্টা জানিয়ে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সুতরাং আড়াআড়িভাবে আবার ভাগ হয়ে গেল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী?‌ সূত্রের খবর, রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাজ‌্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার–সহ একাধিক শীর্ষনেতার সামনে শুভেন্দু সুর সপ্তমে চড়িয়ে বলেন, ‘যত দুর্নীতি হয়েছে রাজ্যে তার তুলনায় রাস্তায় নেমে ক’টা আন্দোলন হয়েছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামের আন্দোলনকে গণআন্দোলনে রূপান্তরিত করতে পেরেছিলেন বলেই সাফল্য এসেছিল। রাস্তায় পড়ে থেকে ওভাবে আন্দোলন করতে না পারলে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করা সম্ভব নয়।’‌

আর দিলীপ ঘোষ কী বলেছেন?‌ এদিন শুভেন্দুর মন্তব্য প্রকাশ্যে চলে আসে। আর তা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সংবাদমাধ্যমে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‌আমি বারবার বলি বাস জ্বালিয়ে দেওয়া, ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়া, বনধ ডাকার রাজনীতি বিজেপি কখনও করেনি। করবে না। বিরোধীদের আন্দোলন করার অধিকার আছে। গণতন্ত্রের অনেক রাস্তা আছে। সেটা আমরা করি। এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ক্লান্ত এদের উৎপাতের জন্য। আবার বিরোধী হিসাবে রাজনীতি করতে গিয়ে মানুষের জীবন দুর্বিসহ আমরা করব না। মানুষ বিজেপিকে বিশ্বাস করে। তাই আমাদের বসিয়েছে। মানুষ আস্থা রেখেছে বলেই বিরোধী দল হতে পেরেছি আমরা। গ্রামে–গ্রামে আন্দোলন করছি।’‌

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ একুশের নির্বাচনের পরে একের পর এক নির্বাচনে গোহারা হয়েছে বিজেপি। আর মানুষ আস্থা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে কি না জিজ্ঞাসা করা হলে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, ‘‌সেটা সময় বলবে। যদি বিরোধীরা এবং আদালত সফল না হয় তাহলে মানুষ বাধ্য হয়ে ওদের দিকেই যাবে। তবে সেটা হবে বলে আমার মনে হয় না। আজ বুদ্ধিজীবীদের রাস্তায় দেখছেন না, কারণ তাঁরাও প্রতারিত হয়েছেন। তবে মানুষ রাস্তায় নামছে। এটাই প্রাপ্তি।’‌

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন