বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > গোষ্ঠীদ্বন্দে খুন, ১০ দিন পর হরিশ্চন্দ্রপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর দেহ
প্রতীকি ছবি

গোষ্ঠীদ্বন্দে খুন, ১০ দিন পর হরিশ্চন্দ্রপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর দেহ

  • পরিবারের দাবি, আবদুল বারিকের সঙ্গে আবদুল বসিরের বিরোধ দীর্ঘদিনের। আগে কংগ্রেস করতেন বারিক। বসির করতেন সিপিএম। সেই থেকে এলাকা দখল নিয়ে দুজনের বিবাদ।

মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার গ্রেফতারির পর মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে পুকুর থেকে উদ্ধার হল তৃণমূল কর্মীর দেহ। ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির কাছের পুকুরে পাওয়া গেল তৃণমূল কর্মী আবদুল বসিরের দেহ। এই ঘটনায় মঙ্গলবারই বিহার – নেপাল সীমান্ত থেকে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আবদুল বারিককে গ্রেফতার করেছে মালদা পুলিশ।

গত ১৪ মে রাতে মারধর করে বারিককে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূল নেতা বসির ও তার লোকজন। তার পর থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না ওই তৃণমূলকর্মীর। বসিরসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন নিখোঁজ তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী। যদিও অভিযুক্তদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার ভারত নেপাল সীমান্ত থেকে বসিরসহ ৫ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের জেরা করে এলাকারই একটি পুকুর থেকে বুধবার উদ্ধার হল আবদুল বারিকের দেহ।

পরিবারের দাবি, আবদুল বারিকের সঙ্গে আবদুল বসিরের বিরোধ দীর্ঘদিনের। আগে কংগ্রেস করতেন বারিক। বসির করতেন সিপিএম। সেই থেকে এলাকা দখল নিয়ে দুজনের বিবাদ। পরে ২ জনেই তৃণমূলে যোগ দিলেও বিবাদ থামেনি। যার জেরে এই খুন।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলেই এই খুন। ২ গোষ্ঠীর বিবাদের জেরেই খুন করা হয়েছে আবদুল বারিককে। তবে কী ভাবে খুন করা হল তা জানতে ধৃতদের লাগাতার জেরা করছে পুলিশ। অভিযুক্তদের পাশে দল দাঁড়াবে না বলে জানিয়েছেন মালদার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী।

 

বন্ধ করুন